সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৯%বাতাস ১৪ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৪ মিমি

আমের আঁটি কুড়িয়ে শুরু, পানছড়ির শিক্ষিকার নার্সারিতে এখন ৫০ হাজার চারা

করোনায় স্কুল বন্ধে বেতন না পেয়ে আমের আঁটি থেকে চারা করা শুরু করেছিলেন খাগড়াছড়ির ম্রানুচিং মারমা; এক একরের নার্সারির চারা বেচে এখন বছরে আয় প্রায় ২০ লাখ টাকা।

আমের আঁটি কুড়িয়ে শুরু, পানছড়ির শিক্ষিকার নার্সারিতে এখন ৫০ হাজার চারা
ফল

খাগড়াছড়ির পানছড়ি সদরের কানুনগো পাড়ার ৩১ বছর বয়সী ম্রানুচিং মারমা একটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। একসময় প্রতিবেশীদের কাছ থেকে আমের আঁটি জোগাড় করে বাড়ির পাশে লাগাতেন। সেই শখ থেকে গড়ে ওঠা নার্সারির চারা বেচে এখন তাঁর বছরে আয় প্রায় ২০ লাখ টাকা।

শুরুটা ২০২০ সালের মাঝামাঝি। করোনায় স্কুল বন্ধ, বেতনও বন্ধ; টিউশনিও একসময় থেমে যায়। আমবাগান করবেন বলে বাজারে চারা কিনতে গিয়ে দাম বেশি দেখে ফিরে আসেন, ঠিক করেন চারা নিজেই বানাবেন। প্রথম বছরেই প্রায় ১২ হাজার টাকার চারা বিক্রি হয়। পরে শিক্ষক স্বামী উচিমং মারমার কাছে দেখে আর নিজে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কলম পদ্ধতিও শিখে ফেলেন।

বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পাহাড়ের ওপর এক একরের নার্সারিতে এখন ৫০ হাজার চারা। আমের পাশাপাশি আছে বিভিন্ন জাতের লিচু, পেয়ারা, লটকন ও বারোমাসি কাঁঠালের চারা; পাশে একটি কলাবাগানও। তিনজন শ্রমিক নিয়ে কাজ করেন তিনি। চলতি বছর ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার চারা বিক্রির আশা করছেন।

নিজের জমিতে নার্সারি আর এলাকায় কম দামে গোবর মেলায় খরচ কম, তাই জাতভেদে আমের চারা ৪০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করেন ম্রানুচিং। ‘গ্রিন কেয়ার নার্সারি’ নামে ফেসবুক পেজেও চারা বিক্রি করেন। প্রতিদিন সকালে নার্সারির কাজ সেরে স্কুলে যান, ছুটির পর আবার নার্সারিতে ফেরেন। তাঁর কথায়, ভালো চারার মূলমন্ত্র নিজের হাতে কাজ করা।

পানছড়ির শিক্ষিকা রোমিতা দেওয়ান চার বছর আগে এই নার্সারি থেকে বিভিন্ন জাতের ১০০টি চারা কিনেছিলেন; এ বছর সব গাছে আম ধরেছে বলে জানান তিনি, নতুন জাতের চারা কিনতে আবার এসেছেন। পানছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, ম্রানুচিংয়ের উদ্যোগ সবার জন্য অনুপ্রেরণা; চাইলে কৃষি বিভাগ পরামর্শ ও সহযোগিতা দেবে, শিগগিরই তিনি নার্সারিটি দেখতে যাবেন।

প্রতিবেদনটি করেছেন প্রথম আলোর জয়ন্তী দেওয়ান।

ছবি: Masum Ibn Musa / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

৪০ লাখ টাকার আনারস চিপস কারখানা বন্ধ, পথের ধারে পচছে ছোট আনারস

রাঙামাটির নানিয়ারচর হর্টিকালচার সেন্টারে ২০২১ সালে উদ্বোধন হওয়া ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতেই পারেনি; যন্ত্রপাতিতে ধুলা, ছাদ চুইয়ে পানি।

প্রথম আলো৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

ছবিতে রংপুরের সাগর কলা: বাগান থেকে ট্রাক, চাঙা গ্রামের অর্থনীতি

কয়েক বছরে রংপুরের সদর, মিঠাপুকুর, পীরগাছা ও পীরগঞ্জে সাগর কলার আবাদ দ্বিগুণ হয়েছে; বদরগঞ্জের শ্যামপুরে কাঁদি কাটা থেকে ট্রাকে তোলা পর্যন্ত কর্মযজ্ঞের ছবির গল্প।

প্রথম আলো৯ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

অবসরের পর ২০ একরে ডালিম, রাসায়নিক কমিয়ে জৈব উপকরণে খরচ কমালেন রাজস্থানের নিহাল সিং

স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সাবেক চিফ ম্যানেজার নিহাল সিং রাজস্থানের জালোরে প্রায় ৫,০০০ ডালিম গাছের বাগান করেছেন; ধাপে ধাপে রাসায়নিক থেকে জৈব উপকরণে যাওয়া আর ড্রিপ সেচে তাঁর বাগানের খরচ প্রায় ২০ লাখ রুপি থেকে এ বছর ৮-৯ লাখে নেমেছে বলে তাঁর দাবি।

কৃষি জাগরণ৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)