যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের হ্যাজেলনাট চাষিরা ২০২৬ সালের ফসলের জন্য জাতভেদে পাউন্ডপ্রতি ৭৫ থেকে ৯০ সেন্ট নিশ্চিত প্রাথমিক দাম পাবেন, যা গত বছর ছিল ১.০৫ থেকে ১.৩০ ডলার। প্রক্রিয়াজাতকারী ও চাষিদের দর-কষাকষিতে এ দাম ঠিক হয়েছে এমন এক বাজারে, যাকে এক ক্রেতা বলেছেন পুরোপুরি বিশৃঙ্খল। খবরটি দিয়েছে ক্যাপিটাল প্রেস।
বিশৃঙ্খলার কেন্দ্রে বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদক তুরস্ক। ওরেগনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ফসল কেনে যে প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো, তার মালিক ল্যারি জর্জ জানান, গত মাসে তুরস্কের বিপুল ফসলের চাপে দাম হঠাৎ পড়ে যায়। পরে দেখা যাচ্ছে তুরস্কের ফসল প্রথম ধারণার চেয়ে ছোট হতে পারে, কারণ সংগ্রহের সময় বৃষ্টিতে খোলা জায়গায় শুকানো ব্যাহত হয়েছে আর স্টিংকবাগ পোকার ক্ষতিতে মান নিয়েও সন্দেহ আছে।
ফলে বাজার ভাগ হয়ে গেছে ভালো মান আর খারাপ মানের বাদামে, ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষই অপেক্ষা করছে। জর্জের ভাষায়, দরকার না হলে কেউ কিনছে না, বাধ্য না হলে কেউ বেচছে না। তুরস্কের সরকারও দাম ধরে রাখতে চাষিদের ফসলের বড় অংশ কিনে নিচ্ছে। তাঁর ধারণা, আসল দাম ঠিক হবে বসন্তে।
হ্যাজেলনাট গ্রোয়ার্স বারগেইনিং অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক টেরি রস মনে করেন, ওরেগনের বাদামের বাড়তি কদরের কারণে শেষ পর্যন্ত বেশি দাম মেলার সুযোগ আছে; ইতালি ও চিলিতে ফলন কম হওয়াও কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে। অতীতে চাষিরা প্রাথমিক দামের ওপর পাউন্ডপ্রতি ২ সেন্ট থেকে ১ ডলার পর্যন্ত বাড়তি পেয়েছেন।
রস জানান, আগে ওরেগনের অনেক বাদাম খোসাসহ চীনে যেত বলে দাম দ্রুত ঠিক হতো। এখন চীনে যায় সামান্য অংশ, বেশির ভাগ বাদাম খোসা ছাড়িয়ে সারা বছর ধরে বিক্রি হয়, আর রাজ্যে উৎপাদনও অনেক বেড়েছে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন ম্যাটেউশ পারকোস্কি।
ছবি: M.O. Stevens / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Capital Press




মন্তব্য
(০)