সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৮ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

শব্দদূষণে বদলে যাচ্ছে প্রাণীর আচরণ, কোলাহলের এলাকায় প্রাণী ৩৭ শতাংশ কম

সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্টের গবেষণায় ১৭৭ প্রজাতির ওপর ২১৪টি পরীক্ষার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ প্রজাতির শরীর বা আচরণ বদলেছে; শব্দপূর্ণ এলাকায় প্রাণীর ঘনত্ব প্রায় ৩৭ শতাংশ কম।

শব্দদূষণে বদলে যাচ্ছে প্রাণীর আচরণ, কোলাহলের এলাকায় প্রাণী ৩৭ শতাংশ কম
পরিবেশ

মানুষের তৈরি কোলাহল শুধু মানুষের ঘুম আর মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে না, বন্যপ্রাণীর জীবনেও বড় বিপর্যয় ডেকে আনছে। ডেইলি বাংলাদেশের কৃষি ও প্রকৃতি পাতায় প্রকাশিত এক লেখায় সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণার কথা তুলে ধরা হয়েছে, যাতে দেখা গেছে শব্দদূষণ প্রাণীর শারীরিক গঠন, আচরণ, প্রজনন ও খাদ্য সংগ্রহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

যুক্তরাজ্যের কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্টের গবেষক হান্সইয়র্গ পি. কুঙ্ক ও রুভেন শ্মিট ছয় মহাদেশের স্থলজ ও জলজ পরিবেশের ১৭৭টি প্রাণীপ্রজাতির ওপর চালানো ২১৪টি পরীক্ষামূলক গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁরা দেখেছেন প্রাণীর শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, বিকাশ, আচরণ, প্রজনন এবং শিকারি ও শিকারের সম্পর্কের ওপর শব্দের প্রভাব।

গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত প্রজাতিগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশেরই কোনো না কোনো শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য বদলে গেছে; অতিরিক্ত শব্দে কোষীয় স্তরে চাপের লক্ষণ, হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি আর বিকাশে অনিয়ম দেখা দিচ্ছে। বদ্ধ জায়গায় শব্দের প্রতিধ্বনি ছোট প্রাণীদের ভুল দিকে চালিয়ে আশ্রয় থেকে বের করে আনে, তারা সহজে শিকার হয়।

শিকারিরাও বিপাকে পড়ে: শান্ত পরিবেশের তুলনায় শব্দপূর্ণ পরিবেশে শিকার ধরতে তাদের প্রায় আড়াই গুণ বেশি চেষ্টা করতে হয়, অথচ সাফল্যের হার কমে যায় প্রায় ২৫ শতাংশ। কোনো প্রজাতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে অন্য প্রজাতি সুযোগ নেয়, ফলে খাদ্যজালের স্বাভাবিক ভারসাম্য বদলে যায়।

সবচেয়ে বড় ফল প্রাণীর সংখ্যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, শান্ত এলাকার তুলনায় শব্দদূষণযুক্ত এলাকায় প্রাণীর উপস্থিতি বা ঘনত্ব প্রায় ৩৭ শতাংশ কম; শান্ত এলাকায় যেখানে ১০০টি প্রাণী থাকে, কোলাহলের এলাকায় সেখানে থাকে প্রায় ৬৩টি।

গবেষকদের মতে, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শুধু বন, জলাভূমি বা আবাস সংরক্ষণ যথেষ্ট নয়, সেখানকার স্বাভাবিক শব্দপরিবেশও রক্ষা করতে হবে। তাঁরা সংবেদনশীল প্রাকৃতিক এলাকায় কম শব্দের অঞ্চল তৈরি, জাহাজ ও শিল্পকারখানার শব্দ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাণীদের জন্য শব্দমুক্ত আশ্রয় বা অ্যাকুস্টিক রিফিউজ গড়ার ওপর জোর দিয়েছেন। লেখাটি ডেইলি বাংলাদেশের মুস্তাকিম গিয়াসের।

ছবি: Tim Felce (Airwolfhound) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

ডেইলি বাংলাদেশসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে খাবার কমছে, লোকালয়ে নামছে হাতির পালপরিবেশ

কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে খাবার কমছে, লোকালয়ে নামছে হাতির পাল

রোগে বাঁশ ও ঝোপঝাড় কমে যাওয়া আর মানুষের লতাপাতা সংগ্রহে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি এশীয় হাতির খাবারে টান পড়েছে; খাবারের খোঁজে রাতে লোকালয়ে নামছে তারা, বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি।

দ্য ডেইলি স্টার৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এডিসের প্রজননস্থল খুঁজবে শিক্ষার্থীরা: ‘ডেঙ্গু অ্যাম্বাসেডর’ কর্মসূচি শুরুস্বাস্থ্য

এডিসের প্রজননস্থল খুঁজবে শিক্ষার্থীরা: ‘ডেঙ্গু অ্যাম্বাসেডর’ কর্মসূচি শুরু

ডেঙ্গু প্রিভেনশন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ স্কুলশিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বাড়ি, স্কুল আর পাড়ায় এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংসের দায়িত্ব দিচ্ছে; হাউস, কনটেইনার ও ব্রেটো ইনডেক্সে ফল মাপা হবে।

সমকাল৮ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
২২ বছরে চীনে ম্যানগ্রোভ বেড়েছে ১৬৬ শতাংশ, পাখির প্রজাতি ১৪৮ থেকে ৩৯৭পরিবেশ

২২ বছরে চীনে ম্যানগ্রোভ বেড়েছে ১৬৬ শতাংশ, পাখির প্রজাতি ১৪৮ থেকে ৩৯৭

নিংবো ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন, ১৯৯৮ থেকে ২০২০ সালে চীনের ম্যানগ্রোভ ১০ হাজার ৬১৭ থেকে ২৮ হাজার ১৯৪ হেক্টরে পৌঁছেছে, উপকূলে পাখির প্রজাতি বেড়েছে আড়াই গুণের বেশি। সুন্দরবন ও চকরিয়ার জন্য এতে শিক্ষা আছে।

প্রথম আলো৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)