নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় শুরু হয়েছে আগাম জাতের আলু রোপণ। স্বল্প জীবনকালের আমন ধান কাটার পরপরই বাহাগিলী, নিতাই, পুটিমারী, গাড়াগ্রাম ও রনচণ্ডী ইউনিয়নের মাঠে জমি তৈরি করে আলু বোনা হচ্ছে, কৃষি সময়ের নীলফামারী প্রতিনিধি জানিয়েছেন।
কৃষকেরা হিমাগারে রাখা বীজ বের করে মুকুল গজানো আলু লাগাচ্ছেন, কেউ বাজার থেকে ১২ থেকে ১৩ টাকা কেজি দরে বীজ আলু কিনছেন। ধান কাটা আর আলু রোপণ ঘিরে এলাকার দিনমজুর নারী-পুরুষের কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
গত মৌসুমে আশানুরূপ দাম না পাওয়া আর হিমাগার ভাড়ার বাড়তি খরচে লোকসানে পড়েছিলেন চাষিরা, অনেকে পুঁজি হারিয়েছিলেন। তবু বীজের কম দাম, অনুকূল আবহাওয়া আর সারের নিয়মিত সরবরাহের ভরসায় এবার আবার মাঠে নেমেছেন তাঁরা। রনচণ্ডীর কুটিপাড়া ব্লকে ইসহাক হাজী, ফরিদুল ইসলাম ও সুজা মিয়া তিন বিঘা করে, আনিছুর রহমান দুই বিঘা আর আবদুল হাই এক বিঘায় আগাম আলু লাগাচ্ছেন।
বাহাগিলীর উত্তর দুরাকুটি গ্রামের কৃষক মিনারুল ইসলাম ৬৫ শতাংশ জমিতে ‘সেভেন’ জাতের আগাম আলু লাগাচ্ছেন। তিনি বলেন, বিঘাপ্রতি ফলন কিছুটা কম হলেও আগাম বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় এতে মুনাফা বেশি।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৪ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আগাম আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে সার সরবরাহ থেকে শুরু করে পরামর্শ দিচ্ছেন; আবহাওয়া আর বাজারদর ঠিক থাকলে চাষিরা আগের লোকসান পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে তাঁর আশা।
ছবি: Hridoye Mati O Manush / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)