নাইজেরিয়ার কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়, বিশ্বব্যাংক গ্রুপ এবং আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলসহ (আইএফএডি) অংশীদারেরা ইবাদানে নাইজেরিয়া অ্যাগ্রিকানেক্ট কম্প্যাক্ট চালু করেছে। অগ্রাধিকার ফসল ও পশুসম্পদের মূল্যশৃঙ্খলে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা বাড়ানো এর লক্ষ্য।
পাঁচ বছরে সরকার, দাতা ও বেসরকারি খাত থেকে আনুমানিক ৫০০ কোটি ডলার জোগাড় করে ক্ষুদ্র কৃষকের উৎপাদনশীলতা, নীতি সংস্কার এবং কৃষকের ঋণ, বিমা ও মিশ্র অর্থায়ন পাওয়ার সুযোগ বাড়ানো হবে। ২০৩১ সালের মধ্যে লক্ষ্য প্রায় ৩০ লাখ মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, ২৫ লাখ ৬০ হাজার কর্মসংস্থান, ধান, ভুট্টা ও গমের গড় ফলন ৩০ শতাংশ ও কাসাভার ৩৫ শতাংশ বাড়ানো এবং গরু, ছাগল-ভেড়া, শূকর ও মুরগির উৎপাদনশীলতা বাড়ানো।
নাইজেরিয়ার জিডিপির ২৬ শতাংশ ও কর্মসংস্থানের প্রায় ৩০ শতাংশ কৃষিতে, কিন্তু উৎপাদনশীলতা প্রতিবেশীদের চেয়ে কম, ৩ কোটি ৭০ লাখ হেক্টর আবাদযোগ্য জমির প্রায় অর্ধেক কম ব্যবহৃত, আর ৩ কোটি ১০ লাখের বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়। আইএফএডির দেশীয় পরিচালক মোহামেদ এল-গাজালি বলেন, খাদ্যব্যবস্থার প্রথম ধাপে ক্ষুদ্র কৃষকদের সঙ্গে কাজ করেই আইএফএডি অবদান রাখবে। নাইজেরিয়ায় আইএফএডির চলমান প্রকল্পে অর্থায়ন প্রায় ৩৯ কোটি ২০ লাখ ডলার।
অ্যাগ্রিকানেক্ট বিশ্বব্যাংকের উদ্যোগ, যার লক্ষ্য ক্ষুদ্র কৃষককে জীবনধারণের চাষ থেকে উদ্বৃত্ত উৎপাদনে নেওয়া; বিশ্বব্যাংক কৃষিতে বার্ষিক অর্থায়ন দ্বিগুণ করে ৯০০ কোটি ডলারে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
ছবি: Nescopio / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: আইএফএডি





মন্তব্য
(০)