নিউজিল্যান্ডের মোটা পশমের (স্ট্রং উল) বিছানাপত্র কৃত্রিম তন্তুর তুলনায় ঘুমে কতটা ভালো, তা যাচাইয়ে ক্লিনিক্যাল ঘুম-পরীক্ষা শুরু হচ্ছে — মন্ত্রীদের দাবি, বিশ্বে এটিই প্রথম।
কৃষিমন্ত্রী টড ম্যাকক্লে ও গ্রামীণ সম্প্রদায়বিষয়ক মন্ত্রী মার্ক প্যাটারসন তিন বছরের ২০ লাখ ডলারের এই গবেষণা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। নেতৃত্বে গিসবর্নের প্রতিষ্ঠান ওয়াইজউল (Wisewool), আর প্রাইমারি সেক্টর গ্রোথ ফান্ড দিচ্ছে ৮ লাখ ডলার। মানুষের নিজের ঘরে ও ঘুম-গবেষণাগারে ঘুম আসার সময়, শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ, বাতাস চলাচল, আর্দ্রতা ব্যবস্থাপনা, অ্যালার্জি-প্রতিরোধ ও আরাম মাপা হবে।
২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত ওয়াইজউল প্রাকৃতিক তন্তু প্রক্রিয়াজাত করে। প্রতিষ্ঠানটির অপারেশনস ম্যানেজার অ্যাঙ্গাস হ্যানসেন বলেন, পশম কীভাবে ঘুম ভালো করে তার বিশ্বাসযোগ্য তথ্য চান তাঁরা; সেই প্রমাণ পশম উৎপাদকদের বিশ্ববাজারে আরও জোরালো গল্প দেবে।
ম্যাকক্লে বলেন, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ মিললে ফোম, কৃত্রিম তন্তু, পালক ও তুলার প্রাকৃতিক বিকল্প হিসেবে পশম বাড়তি দাম পাবে। আগের সরকারি সহায়তায় প্রতিষ্ঠানটি আসবাব ও বিছানার জন্য পশমের ফিলার তৈরি করেছে এবং তাইরাউহিতি ইস্ট কোস্টের খামারিদের প্রতি কেজি কাঁচা পশমে ৫০ সেন্ট বাড়তি দিচ্ছে।
ওয়াইজউল আগামী এক দশকে উত্তর দ্বীপে ৩ কোটি কেজি পশম প্রক্রিয়াজাত করতে চায়, যার জন্য নিউজিল্যান্ডের মোটা পশমের বড় অংশ সংগ্রহ করতে হবে।
ছবি: Schwede66 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farmers Weekly NZ





মন্তব্য
(০)