নিউজিল্যান্ডের কৃষক সংগঠন ফেডারেটেড ফার্মার্স ডানেডিন নগর পরিষদকে পশু নিয়ন্ত্রণ উপবিধি পর্যালোচনায় বিড়ালের মাইক্রোচিপ ও বন্ধ্যাকরণ বাধ্যতামূলক করতে বলছে। সংগঠনের মতে, অযত্নে থাকা পোষা বিড়াল থেকেই বুনো বিড়ালের দল বাড়ছে, যা খামারিদের আর্থিক ক্ষতি ও পশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। ওটাগো সভাপতি অ্যানা গিলেস্পি পরিষদকে বিষয়টি নিয়ে গড়িমসি বন্ধ করতে বলেছেন।
বুনো বিড়াল টক্সোপ্লাজমোসিস ছড়ায়, যা মাদি ভেড়ার গর্ভপাতের বড় কারণ; বিড়ালের মলে থাকা টক্সোপ্লাজমা গন্ডি পরজীবীতে দূষিত ঘাস বা খাবার খেয়ে ভেড়া আক্রান্ত হয়। সংগঠনের ২০২৬ সালের জাতীয় বালাই জরিপে ৭০ শতাংশের বেশি খামারে বুনো বিড়াল পাওয়া গেছে, পোসাম ও খরগোশের পরেই। এগারোটি পরিষদ ইতিমধ্যে বন্ধ্যাকরণ, মাইক্রোচিপ ও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করেছে।
২০২৩ সালে তাসমানের প্রয়াত কৃষক লয়েড ফকনার ভেড়াকে টিকা দেওয়া সত্ত্বেও টক্সোপ্লাজমোসিসে প্রায় ১২০টি বাচ্চা হারান, ক্ষতি অন্তত ১৩ হাজার ডলার। ২০১৪ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, হকস বের খামারিরা এ রোগের টিকায় বছরে প্রায় ৩ লাখ ৩৬ হাজার ডলার খরচ করে প্রায় ১০ লাখ ৩০ হাজার ডলারের ক্ষতি ঠেকান। বালাই দমন মুখপাত্র রিচার্ড ডকিন্স বলেন, টিকা সব ধরনের জীবাণু ঠেকায় না; সংগঠনটি আঞ্চলিক বালাই ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনায় বুনো বিড়ালকে যুক্ত করতে চায়।
ছবি: Brocken Inaglory / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farmers Weekly NZ





মন্তব্য
(০)