যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের কৃষি, বাণিজ্য ও ভোক্তা সুরক্ষা বিভাগ (DATCP) নিশ্চিত করেছে, ওয়াকেশা কাউন্টিতে দুধ না দেওয়া দুগ্ধ গরুর নমুনায় এপিজুটিক হেমোরেজিক ডিজিজের (ইএইচডি) ভাইরাস পাওয়া গেছে। এলাকার বুনো ও খামারে পালিত হরিণের টিস্যুতেও ভাইরাসটি মিলেছে।
ইএইচডি ছড়ায় কামড়ানো ক্ষুদ্র মিজ পোকার মাধ্যমে। গ্রীষ্মের শেষ ও শরতের শুরুতে পোকা বেশি থাকায় তখনই রোগটি দেখা দেয়, আর মৌসুমের প্রথম বড় তুষারপাতের পর নতুন সংক্রমণ সাধারণত থেমে যায়। রোগ ধরা পড়লে ১০ দিনের মধ্যে বিভাগকে জানাতে হয়। উইসকনসিনে গরুতে আগে ইএইচডি পাওয়া গিয়েছিল ২০১৩ সালে।
হরিণের মতো গরুতে সাধারণত উপসর্গ দেখা যায় না। দেখা দিলে গরু খোঁড়াতে পারে, পা, মুখ বা বাঁটে ঘা হতে পারে, বেশি লালা ঝরতে পারে, জ্বর বা ওজন কমতে পারে। উপসর্গ কমই গুরুতর হয়, কিন্তু মুখ, বাঁট বা খুরের ক্ষত পরীক্ষাগারে না দেখে কিছু বিদেশি প্রাণিরোগ থেকে আলাদা করা কঠিন।
বিভাগ বলেছে, গরু বা খামারের হরিণে উপসর্গ দেখলে খামারিরা যেন পশুচিকিৎসকের সঙ্গে নিশ্চিত রোগনির্ণয় করেন; রক্ত, প্লীহা, ফুসফুস বা লসিকাগ্রন্থির নমুনা পরীক্ষায় পাঠানো যায়। বিদেশি প্রাণিরোগের সন্দেহ হলে সঙ্গে সঙ্গে জেলা পশুচিকিৎসককে জানাতে হবে।
ইএইচডির কোনো চিকিৎসা নেই, আর এসব সংক্রমণ বলছে ভাইরাসটি পরিবেশে ঘুরছে। পরজীবী ও উড়ন্ত পোকা নিয়ন্ত্রণ, সঠিক খাবার এবং গাদাগাদি এড়িয়ে খামারের পশুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বলেছে বিভাগ। মানুষের শরীরে ইএইচডি সংক্রমণের কোনো প্রমাণ নেই; আক্রান্ত গরু বা হরিণের মাংস বা দুধে মানুষের ঝুঁকি নেই।
বিজ্ঞপ্তিটি দিয়েছে ডিএটিসিপি, প্রচার করেছে মর্নিং অ্যাগ ক্লিপস।
ছবি: Scott Bauer, USDA ARS / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Morning Ag Clips




মন্তব্য
(০)