যুক্তরাষ্ট্রে যে খামারিরা সরাসরি ক্রেতার কাছে শূকরের মাংস বিক্রি করেন, তাঁদের জন্য একটি হিসাব-সরঞ্জাম এনেছে মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি এক্সটেনশন। এমএসইউ এক্সটেনশন পর্ক প্রাইসিং ক্যালকুলেটর নামের এই ওয়ার্কবুক প্রতিযোগী বা দোকানের দাম দেখে নয়, খামারের নিজের উৎপাদন খরচ থেকে দাম ঠিক করতে সাহায্য করে।
খামারিরা এতে বাচ্চা শূকর কেনা, খাদ্য, বিছানা, বিদ্যুৎ-পানি, পশুস্বাস্থ্য, পরিবহন, শ্রম ও ঘরের খরচ বসান। এক্সটেনশন বলছে, ছোট খামারে শ্রম ও অবকাঠামোর খরচ প্রায়ই হিসাবের বাইরে থাকে। একটি উৎপাদন মডেল ও খাদ্য খরচ পরিকল্পনা অংশ খাদ্যের চাহিদা অনুমান ও ভিন্ন পালন পদ্ধতির তুলনায় সাহায্য করে।
জীবিত শূকরের ওজন আর প্যাকেট করা মাংসের ওজন এক নয়, তাই সরঞ্জামটি জীবিত, ঝোলানো ও প্যাকেট ওজন আলাদা হিসাব করে এবং জবাই, কাটা-মোড়ানো, ধোঁয়া দেওয়া ও কিউরিংয়ের খরচও ধরে। এরপর পুরো ও আধা শূকরের লাভ-ক্ষতি সমান হওয়ার দাম ও লক্ষ্য দাম দেয়; বেকন, হ্যাম, চপ, সসেজের মতো আলাদা কাট বিক্রি করলে সব কাটের মোট দামে খরচ উঠছে কি না, তাও যাচাই করে।
খরচ বদলালে ক্যালকুলেটর হালনাগাদ করা যায়; প্রক্রিয়াজাতকারীর রেকর্ড ও খামারের তথ্য ব্যবহার করলে হিসাব আরও নির্ভুল হয় বলে জানিয়েছে এক্সটেনশন।
ছবি: Jessica Reeder / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)