ইসলামে বিয়েকে কেবল সামাজিক রীতি হিসেবে দেখা হয়নি; এটি জীবনকে শৃঙ্খলিত ও সুন্দর করার বৈধ পথ এবং সুন্নাহসম্মত জীবনব্যবস্থার অংশ। কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইত্তেফাক বিয়ের দশটি উপকারিতা তুলে ধরেছে।
সহিহ বুখারির বর্ণনায় মহানবী (সা.) যুবকদের বলেছেন, যাদের বিয়ের সামর্থ্য আছে তারা যেন বিয়ে করে, কারণ তা দৃষ্টি অবনত রাখতে ও চরিত্র রক্ষায় সহায়ক; আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন রোজা রাখে। প্রচলিত আরেকটি বর্ণনায় বিয়েকে দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ হওয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
সুরা আর-রুমের ২১ নম্বর আয়াতে দাম্পত্যকে আল্লাহর নিদর্শন বলা হয়েছে: তিনি মানুষের জন্য তাদের মধ্য থেকেই জীবনসঙ্গী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তারা প্রশান্তি পায়, এবং তাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।
সুরা আল-বাকারার ১৮৭ নম্বর আয়াতে স্বামী-স্ত্রীকে একে অপরের পোশাক বলা হয়েছে। লেখায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে, পোশাক যেমন আচ্ছাদন ও সুরক্ষা দেয়, তেমনি দম্পতি একে অপরের দুর্বলতা গোপন রাখা, বিপদে পাশে থাকা ও পারস্পরিক সম্মানের মধ্য দিয়ে আশ্রয় হয়ে ওঠেন।
সুরা আন-নুরের ৩২ নম্বর আয়াতে অবিবাহিতদের বিয়ে দেওয়ার নির্দেশ ও দরিদ্রদের অভাবমুক্ত করার প্রতিশ্রুতির কথা আছে। তবে লেখায় স্পষ্ট করা হয়েছে, এর অর্থ এই নয় যে বিয়ের পর সবার আর্থিক অবস্থা একইভাবে বদলাবে; আয়াতটি আল্লাহর ওপর ভরসার শিক্ষা দেয়।
সুরা আন-নাহলের ৭২ নম্বর আয়াতে জীবনসঙ্গীর মাধ্যমে সন্তান ও নাতি-নাতনি দানের কথা আছে। সহিহ মুসলিমের বর্ণনায় নেককার স্ত্রীকে দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ বলা হয়েছে, আর নেককার জীবনসঙ্গী আল্লাহর আনুগত্যে একে অপরের সহযোগী হন।
ছবি: Zainub Razvi / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: ইত্তেফাক





মন্তব্য
(০)