যে ওয়াটারহেম্প আগাছায় এর মধ্যেই বীজ ধরে গেছে, তাতে আগাছানাশক স্প্রে করে তেমন লাভ নেই। কানাডার ম্যানিটোবা কৃষি বিভাগের আগাছা বিশেষজ্ঞ কিম ব্রাউন ২৩ সেপ্টেম্বরের ক্রপটক ওয়েবিনারে এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে ম্যানিটোবা কো-অপারেটর।
ওয়াটারহেম্প অন্টারিও ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে এর মধ্যেই বড় সমস্যা। আগাছাটি বিপুল বীজ দেয় এবং অনেক আগাছানাশকে প্রতিরোধী। ম্যানিটোবার কিছু এলাকায় এটি শিকড় গেড়েছে এবং প্রদেশের উত্তর ও পশ্চিমে ছড়াচ্ছে।
ব্রাউন বলেন, অনেকের ধারণা মৌসুমের শেষে স্প্রে করলে অপরিপক্ব বীজ মারা যায়, কিন্তু তা ঠিক নয়। আগাছানাশক বীজ মারে না, আর একবর্ষী আগাছায় বীজ ধরে গেলে, এমনকি কাঁচা বীজ হলেও, গাছ মারলে মাটিতে বীজের মজুত বদলায় না। তাঁর ভাষায় এটি প্রতিশোধের স্প্রে, সময় আর টাকার পুরোপুরি অপচয়। ওই টাকা পরের মৌসুমে আগাছা দমনে খরচ করাই ভালো।
যেসব গাছে এখনো ফুল আছে, সেগুলোর বিষয় আলাদা। যথেষ্ট ওয়াটারহেম্প বা অন্য একবর্ষী আগাছা ফুল অবস্থায় থাকলে স্প্রে করে বীজ তৈরি ঠেকানো যায়, বিশেষ করে তুষারপাতের আগে উষ্ণ আবহাওয়া থাকলে। ফসল কাটার আগে বড় সবুজ আগাছা শুকাতে স্প্রে করা আলাদা সিদ্ধান্ত।
দেরিতে কোন আগাছানাশক দেবেন, সে বিষয়েও সতর্ক করেন ব্রাউন। এ সময় ডাইক্যাম্বার মতো ওষুধ দিলে ফসল কাটার আগের নির্ধারিত বিরতি মানা যায় না, ফলে রপ্তানি বাজারে সমস্যা হতে পারে। শরতে ব্যবহারের জন্য নিবন্ধিত ডাইক্যাম্বাযুক্ত ডিস্টিংক্ট দিলেও পরের বসন্তে কোন ফসল লাগানো যাবে তার সুযোগ কমে যায়; যত দেরিতে দেওয়া হয়, সীমাবদ্ধতা তত বেশি।
এ বছর শরতের আগাছা দমনের সময়ও এলাকাভেদে আলাদা: কেউ গম ও ক্যানোলা কেটে ফেলেছেন, আবার পশ্চিম ও উত্তর ম্যানিটোবার অনেক জমির ফসল এখনো মাঠে।
ছবি: Lottery Discountz / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)
সূত্র: Manitoba Co-operator





মন্তব্য
(০)