পশ্চিমবঙ্গের কৃষি অনুদান প্রকল্প 'কৃষক বন্ধু'র সুবিধা যাতে প্রকৃত ও যোগ্য কৃষকের কাছেই পৌঁছায় এবং ভুয়া উপভোক্তা বাদ পড়ে, সে জন্য রাজ্যজুড়ে উপভোক্তাদের নথি ও তথ্যের কড়া পুনঃযাচাই শুরু করেছে রাজ্যের কৃষি দপ্তর।
কৃষি দপ্তর সূত্রের বরাতে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা জানিয়েছে, প্রতিটি আবেদনের প্রাথমিক ও মাঠপর্যায়ের তথ্য নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুবিধা অব্যাহত রাখতে জমির হালনাগাদ পরচা বা মালিকানার নথি এবং সঠিক ব্যাংক তথ্য জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
অনিয়ম ও ভুয়া নিবন্ধন ঠেকাতে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে চালু মোবাইল নম্বর ও আধারের তথ্য যুক্ত করতে হবে। ক্ষেত্রবিশেষে আবেদনকারীর স্বামী বা স্ত্রীর আধার ও মোবাইলের তথ্যও নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি আবেদনের জমি ও ব্যাংকের তথ্য সরেজমিনে এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
আগস্টের প্রাথমিক সময়সীমার মধ্যে যেসব প্রান্তিক কৃষক ফর্ম জমা দিতে পারেননি, তাঁদের জন্য সময় বাড়ানো হয়েছে। যাঁদের মোবাইল নম্বর আগে থেকেই কৃষক বন্ধুর তথ্যভান্ডারে আছে, তাঁরা এসএমএসভিত্তিক পোর্টালে তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন; নতুন আবেদনকারীদের বিজ্ঞপ্তির ১০ দিনের মধ্যে জমির পরচা ও পরিচয়পত্রের প্রতিলিপি জমা দিতে হবে।
তবে তথ্যের শতভাগ সঠিকতা ও নথি যাচাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো অ্যাকাউন্টে অনুদানের টাকা পাঠানো হবে না বলে জানিয়েছে কৃষি দপ্তর। অর্থাৎ নথি হালনাগাদে দেরি হলে কৃষকের অনুদানও পিছিয়ে যেতে পারে।
ছবি: njanam92 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা





মন্তব্য
(০)