দিনাজপুরের বীরগঞ্জ ও খানসামা উপজেলার সীমান্তে খানসামা ঘাটপাড়ের পশ্চিমে ভিলেজ এগ্রো নার্সারি অ্যান্ড ক্যাটল ফার্মের মালিক মো. আমিনুল ইসলাম প্রায় দুই একর পাঁচ শতাংশ জমিতে সাগর জাতের কলা লাগিয়েছেন, আর গাছের সারির মাঝের ফাঁকা জায়গায় সাথি ফসল হিসেবে করেছেন রত্ন জাতের ফুলকপি।
আমিনুল জানান, কলা দীর্ঘমেয়াদি ফসল, তাই জমি ফেলে না রেখে একই সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি ফুলকপি লাগিয়েছেন; এতে এক জমি থেকে একাধিক ফসল আর বাড়তি আয়ের আশা। এখন পর্যন্ত কলা ও ফুলকপির চারা ভালো অবস্থায় আছে।
তবে তাঁর অভিযোগ, কৃষি অফিস থেকে কোনো পরামর্শ বা সহযোগিতা পাননি, চাহিদামতো সারও সময়মতো মিলছে না; সঠিক পরিচর্যার অভাবে খরচ উঠবে কি না, সে শঙ্কায় আছেন।
খানসামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, কলার সঙ্গে ফুলকপির এমন সাথি চাষ তিনি নিজেই এ এলাকায় প্রথম উৎসাহিত করেছেন। কলা প্রায় এক বছরের ফসল হওয়ায় সাথি ফসল হিসেবে ফুলকপি করলে কৃষকের আয় উল্লেখযোগ্য বাড়ে। তাঁর দাবি, ওই কৃষক সরাসরি দপ্তরে যোগাযোগ করেননি; বিষয়টি জানার পর একজন সহকারী কর্মকর্তাকে মাঠ পরিদর্শনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে, যিনি সার ও বালাই ব্যবস্থাপনার পরামর্শ দেবেন।
প্রতিবেদনটি দিনাজপুর টিভির নিজস্ব প্রতিবেদকের।
ছবি: The Roving Rokibul / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: দিনাজপুর টিভি





মন্তব্য
(০)