ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর সরকার গত দুই অর্থবছরে ৭,৪০০-র বেশি কীটনাশকের নমুনা পরীক্ষা করে ১৫১টি মানহীন পণ্য পেয়েছে, আর তার ভিত্তিতে কয়েক ডজন মামলা হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর অঞ্চলটির বিধানসভায় কৃষিমন্ত্রী Javid Ahmad Dar (জাভিদ আহমদ দার) এ তথ্য দেন। কাশ্মীর ইমেজেস উদ্ধৃত করে গ্লোবাল এগ্রিকালচার এ খবর দিয়েছে।
হিসাবটি সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছর আর চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এ পর্যন্ত সময়ের; ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ভারতের কীটনাশক আইন, ১৯৬৮-র অধীনে। চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত ১৯টি লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত হয়েছে, আগের বছরের হিসাবে এই ভাগ আলাদা করে দেওয়া হয়নি। মানহীন নমুনার হার ২০২৫-২৬ সালের প্রায় ১.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে এখন প্রায় ৪ শতাংশ, যদিও চলতি বছরের নমুনা এখনো পূর্ণ বছরের একটি অংশ মাত্র।
মন্ত্রী জানান, শ্রীনগর ও জম্মুতে একটি করে দুটি মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার বাজার থেকে সংগ্রহ করা নমুনা পরীক্ষা করে, আর অঞ্চলটিতে ৩২টি অতি বিষাক্ত কীটনাশক ফর্মুলেশন নিষিদ্ধ বা সীমিত করা হয়েছে। একটি রাজ্য কীটনাশক অবশিষ্টাংশ পরীক্ষাগার তৈরি হচ্ছে, যাতে কীটনাশকের উপাদান যাচাইয়ের পাশাপাশি ফসল ও মাটিতে অবশিষ্টাংশও পরীক্ষা করা যাবে।
কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ড মানহীন পণ্য বিক্রি করছিল, তা প্রকাশ করা হয়নি। হিসাবটি কেবল জম্মু ও কাশ্মীরের, পুরো ভারতের নয়।
ভারতের বাজারের কিছু অংশে নকল ও মানহীন কীটনাশক নিয়ে কৃষক সংগঠন ও বৈধ কৃষিরাসায়নিক প্রস্তুতকারকদের দীর্ঘদিনের উদ্বেগের মধ্যে এই তথ্য এল। শিল্প সংগঠনগুলোর মতে, এ সমস্যা কৃষকের আস্থা নষ্ট করে এবং নিয়ম মেনে চলা প্রস্তুতকারকদের ক্ষতি করে।
ছবি: Sauood07 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার





মন্তব্য
(০)