দাম কমাতে বাড়তি গরুর মাংস আমদানির মার্কিন সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী মাইক জোহানস (Mike Johanns)। তাঁর মতে, খামারিরা যখন অবশেষে লাভের মুখ দেখছিলেন, ঠিক তখনই এই ধাক্কা এল। প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলের কৃষিমন্ত্রী এবং নেব্রাস্কার সাবেক গভর্নর ও সিনেটর জোহানস কানসাস সিটিতে এক কৃষি পূর্বাভাস সম্মেলনে বলেন, গবাদিপশুর অঞ্চলে বিষয়টি এখন সবচেয়ে উত্তপ্ত।
তিনি বলেন, গত ২০ বছরের ১০ থেকে ১২ বছরই গরুর খামারিরা লোকসান গুনেছেন; অবশেষে লাভ হতে শুরু করতেই সরকার হস্তক্ষেপ করছে, যা তিনি মানতে পারছেন না। গত মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তিন মাসে ৩ লাখ মেট্রিক টন চর্বিহীন গরুর মাংস শুল্কমুক্ত আমদানির ঘোষণা দেন, যা কম দামের কিমা হিসেবে বিক্রি হবে।
জোহানসের হিসাবে, এর ফলে গরুর দাম পড়ে গড়ে একেকজন খামারির মাথাপিছু ২৫০ থেকে ৫০০ ডলার ক্ষতি হয়েছে, অথচ ক্রেতার সাশ্রয় হবে হ্যামবার্গারপ্রতি হয়তো কয়েক সেন্ট। ভালো আয়ে খামারিরা দেনা শোধ করে পাল বড় করা বা জমি কেনার কথা ভাবছিলেন। সমালোচনার জবাবে মার্কিন কৃষি বিভাগ বকনা গরু ধরে রাখায় উৎসাহ, স্থানীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ বাড়ানো ও মার্কিন উৎসের লেবেল জোরদারের পরিকল্পনা দিয়েছে।
২০০৩ সালে ম্যাড কাউ রোগ (বিএসই) শনাক্তের পর বিদেশি বাজার আবার খোলার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে জোহানস বলেন, পারস্পরিক বাণিজ্যের অংশ হিসেবে আমদানি আর দেশের বাজারে দাম নামাতে আমদানি এক জিনিস নয়। তাঁর ভাষায়, দেশের মাংসে যেন কোনো সমস্যা আছে, এমনভাবে ছাড়ে বিক্রির জন্য মাংস আনাটা খামারিরা ভালোভাবে নেননি। প্রতিবেদনটি লিখেছেন ক্রিস ক্লেটন।
ছবি: USDA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: DTN / Progressive Farmer





মন্তব্য
(০)