ইউরোপ মহাদেশে বাছুর রপ্তানির জন্য সমুদ্রপথে পরিবহনের সক্ষমতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আয়ারল্যান্ড সরকারের, জানিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। তবে সমাধান খুঁজতে আইরিশ কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করতে তারা ‘প্রস্তুত’।
টিপারারির গরু খামারি ব্রেন্ডান কেনেডিকে (Brendan Kennedy) লেখা এক চিঠিতে কমিশন এ অবস্থান জানায়। ব্রিটানি ফেরিজ জীবন্ত পশু রপ্তানির ব্যবসা থেকে সরে যাওয়ার পর মহাদেশের সঙ্গে আয়ারল্যান্ডের যোগাযোগ ঝুঁকিতে পড়েছে বলে তিনি কমিশনের প্রতিযোগিতা অধিদপ্তরে চিঠি দিয়েছিলেন।
কমিশন স্বীকার করেছে, দ্বীপদেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য সমুদ্র যোগাযোগ জরুরি, জীবন্ত পশুর বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও। একটি ফেরি কোম্পানি সরে গেলে আইরিশ রপ্তানিকারকদের বাণিজ্যিক বিকল্প কমে যেতে পারে বলেও চিঠিতে বলা হয়েছে।
চিঠি অনুযায়ী, সমুদ্র যোগাযোগ এবং ইইউ আইনের মধ্যে থেকে কোনো সহায়তার দায়িত্ব মূলত সদস্য রাষ্ট্রের। ইইউর নিয়মে সরকার এমন যোগাযোগের জন্য জনসেবা চালু করতে ও ক্ষতিপূরণ দিতে পারে, কিন্তু তা কীভাবে সাজানো হবে, ঠিক করবে প্রতিটি দেশ।
ইন্ডিপেনডেন্ট আয়ারল্যান্ড দলের ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য কিয়ারান মুলুলি বলেন, চিঠিটি পরের পদক্ষেপের ভার ‘পুরোপুরি আইরিশ সরকারের ওপর’ দিয়েছে; দেরি না করে সহায়তার প্রস্তাব নিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষায়, ‘আয়ারল্যান্ডের বাড়তে থাকা জীবন্ত পশু রপ্তানিকে এড়ানো যায় এমন ফেরি-ঘাটতির মুখে ফেলে রাখা যায় না।’
কেনেডি ইউরোপীয় পার্লামেন্টে একটি আবেদনও করেছেন, যাতে জীবন্ত গবাদিপশু রপ্তানির পথ রক্ষা ও একটিমাত্র ফেরি সেবার ওপর নির্ভরতা ঠেকানোর দাবি জানানো হয়েছে। পার্লামেন্টের আবেদন কমিটি তা বিবেচনা করবে, যদিও এতে অনেক সময় লাগতে পারে।
প্রতিবেদনটি এগ্রিল্যান্ডের জন্য লিখেছেন চার্লস ও’ডনেল।
ছবি: ŠJů / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Agriland




মন্তব্য
(০)