সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৭২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

জলবায়ুর চাপে কোকোর দামের অস্থিরতা থাকছেই, উৎপাদন কমার আশঙ্কা

অনিয়মিত বৃষ্টি, রোগবালাই আর কম মজুতের কারণে কোকোর বাজারের সংকট সাময়িক নয়, কাঠামোগত; সামনের বছরগুলোতে কোকো বীজের উৎপাদন কমতে পারে বলে মনে করছেন আইএনজির এক বিশ্লেষক।

জলবায়ুর চাপে কোকোর দামের অস্থিরতা থাকছেই, উৎপাদন কমার আশঙ্কা
এগ্রোবিজ

কোকোর দাম আবার ওঠানামা করছে। ট্রেডিং ইকোনমিকসের তথ্যে, ২০২৬ সালের আগস্টের শেষে দাম হঠাৎ টনপ্রতি ৬,৭৭১.০ মার্কিন ডলারে ওঠে, আর অক্টোবরের শুরুতে দাম আবার বাড়ছে বলে জানিয়েছে ফুডনেভিগেটর। নেদারল্যান্ডসের ব্যাংক আইএনজির এক বিশ্লেষকের মতে, চাষি থেকে চকলেট কোম্পানি, সবার জন্য এটা আর সাময়িক বিঘ্ন নয়, বরং কাঠামোগত সমস্যা।

সবচেয়ে বড় সমস্যা জলবায়ু পরিবর্তন। অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টি, মাটির আর্দ্রতা কমে যাওয়া আর রোগের চাপ বাড়ায় বছরের পর বছর ফলন কমছে। আইএনজি বলছে, এই হুমকি সাময়িক নয়, কাঠামোগত; এতে ফলন কমে, উৎপাদন খরচ বাড়ে, খামারে বিনিয়োগে উৎসাহ কমে, ফলে সামনের বছরগুলোতে কোকো বীজের উৎপাদন সম্ভবত কমবে, আর সেই ধারা হয়তো শুরুও হয়ে গেছে।

উৎপাদন কয়েকটি দেশে কেন্দ্রীভূত। বিশ্বের অর্ধেকের বেশি কোকো হয় ঘানা ও কোত দিভোয়ারে, আর অনেক চকলেটের স্বাদ এই দুই দেশের বীজের ওপর নির্ভর করে। উচ্চফলনশীল জাত, ভালো রপ্তানি অবকাঠামো ও বাড়তি জমির কারণে ইকুয়েডর দ্রুত এগিয়েছে; পেরু ও কলম্বিয়ায় বাড়ার সুযোগ আছে; ব্রাজিল পরিমাণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে, তবে সেখানকার চাষিরা আগে ভবিষ্যৎ আয়ের নিশ্চয়তা চাইবেন। নাইজেরিয়া, ক্যামেরুন ও সিয়েরা লিওন পুরোনো খামার সংস্কারে উৎপাদন বাড়াতে পারে। তবু আইএনজির ধারণা, সরবরাহের মূল ভিত্তি পশ্চিম আফ্রিকাই থাকবে, আর মজুত এতটাই কম যে ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিলেই দাম আবার লাফ দিতে পারে।

আইএনজির মতে, কোকো চাষ টিকিয়ে রাখতে খামারকে একসঙ্গে বেশি উৎপাদনশীল, বেশি লাভজনক ও জলবায়ু সহনশীল হতে হবে: ভালো চাষপদ্ধতি, পুরোনো গাছের বদলে নতুন গাছ, আয়ের বিকল্প উৎস, আর চাষির এমন আয়, যাতে তিনি খামারে আবার বিনিয়োগ করতে পারেন। চকলেট কোম্পানি ও ব্যবসায়ীরা চাষিদের উত্তম কৃষিচর্চা ও বনকৃষির প্রশিক্ষণ এবং চারা দিচ্ছে, পণ্যের উৎস শনাক্তেও জোর দিচ্ছে।

চকলেট কোম্পানিগুলো প্রথমে খরচের বোঝা ক্রেতার ঘাড়ে চাপিয়েছে, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে দাম বাড়িয়ে। আইএনজি বলছে, ২০২৬ সালে বেশি দামের কারণে বিক্রি কমে যাওয়ায় দামি ব্র্যান্ডগুলোও আর দাম বাড়াতে পারছে না, আর প্যাকেট ছোট করার কৌশল ক্রেতারা একেবারেই পছন্দ করেননি।

সামনে উপাদান বদলের প্রবণতা বাড়বে বলে মনে করে আইএনজি। দামি ব্র্যান্ড আসল কোকোতেই থাকতে পারে, তবে সাধারণ পণ্যে কোকোর পরিপূরক, বিকল্প চর্বি বা কোকোবিহীন উপাদান বাড়বে; গাঁজানো শস্য ও ডাল, ক্যারব কিংবা প্রিসিশন ফারমেন্টেশন প্রযুক্তিতে এমন উপাদান বানাচ্ছে উইন-উইনের (Win-Win) মতো স্টার্টআপ। বিস্কুট, প্রলেপ ও বেকারির মতো পণ্যে এসব বিকল্প দ্রুত বাড়লেও কোকোকে পুরোপুরি সরাতে পারবে না বলে ধারণা।

প্রতিবেদন: ডনা ইস্টলেক (Donna Eastlake), ফুডনেভিগেটর।

ছবি: USDA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: FoodNavigator

FoodNavigatorসূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কুয়াকাটায় খুঁটো জালে ২ কেজির ইলিশ, নিলামে ৭ হাজার ২৫০ টাকা

বাংলার ঘাটসংলগ্ন সাগরে জেলে সোহেল খানের জালে ওঠা ইলিশটি মণপ্রতি ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দরে কিনেছেন এক আড়তদার; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন পবিপ্রবির এক মৎস্যবিজ্ঞানী।

দেশ রূপান্তর৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

মৌসুম শেষেও বাজারে কাটিমন, কেজি ১৬০ থেকে ৩০০ টাকা; চাষে আগ্রহ বাড়ছে

থাই জাতের বারোমাসি কাটিমন আম বছরে তিন দফা ফল দেয়; ছোট গাছ ঘন করে লাগানো যায়, অফ-সিজনে দাম ভালো, তবে অতিবৃষ্টি ও শীতে মুকুল নষ্টের ঝুঁকি আছে।

এগ্রিকেয়ার২৪৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মায় ধরা পড়ল ১৭ কেজির পাঙাশ, নিলামে ৩৭ হাজার ৪০০ টাকা

গোয়ালন্দের মজলিশপুরে পদ্মার মোহনায় জেলে নিরঞ্জন হালদারের জালে ১৭ কেজি ও ৮ কেজির দুটি পাঙাশ ধরা পড়ে; দৌলতদিয়ার ব্যবসায়ী কিনে বড়টি ঢাকার ক্রেতার কাছে কেজি ২,৩০০ টাকায় বেচার দরদাম করছেন।

প্রথম আলো৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)