দুর্বল বর্ষা আর কাঁচামালের চড়া দামের কারণে ভারতের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কৃষি রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের আয় খারাপ হবে বলে ধারণা করছে ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা মুনাফার পূর্বাভাস বড় অঙ্কে কমিয়েছে।
নুভামা রিসার্চের ধারণা, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় করোমণ্ডল ইন্টারন্যাশনালের পরিচালন মুনাফা (ইবিআইটিডিএ) ৫৬ শতাংশ, পিআই ইন্ডাস্ট্রিজের ৩৬.৭ শতাংশ, র্যালিস ইন্ডিয়ার ২৬.৫ শতাংশ আর সুমিতোমো কেমিক্যাল ইন্ডিয়ার ১৭.৪ শতাংশ কমবে। এলারা সিকিউরিটিজের হিসাবে তাদের পর্যবেক্ষণে থাকা কৃষি রাসায়নিক ও সার কোম্পানিগুলোর আয় ৭ শতাংশ, পরিচালন মুনাফা ১৩ শতাংশ ও নিট মুনাফা ৩১ শতাংশ কমতে পারে।
চাহিদার দিকে, দক্ষিণ-পশ্চিম বর্ষা শেষ হয়েছে দীর্ঘমেয়াদি গড়ের প্রায় ১২.২ শতাংশ কম বৃষ্টিতে, যা ২০১৫ সালের পর সবচেয়ে দুর্বল। খরিফ আবাদের এলাকা প্রায় গত বছরের সমান, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের কিছু এলাকায় খরার টান ফলন ঝুঁকিতে ফেলেছে। পোকা ও ছত্রাকের চাপ কম থাকায় স্প্রেও কম হয়েছে, আর ডিলাররা নতুন মজুত কিনতে সাবধানী।
খরচের দিকে, অ্যান্টিক স্টক ব্রোকিংয়ের বিশ্লেষকেরা বলছেন, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে মার্চ থেকে মে পর্যন্ত কাঁচামালের দাম লাফিয়ে বেড়েছিল; সঙ্গে রুপির দরপতন এবং পরিবহন, মোড়ক ও দ্রাবকের বাড়তি খরচ। জুনের পর কিছু দাম কমলেও পরিবহন ও অপরিশোধিত তেলের দামে বছরের বাকি সময় খরচ গত বছরের চেয়ে বেশি থাকবে বলে ধারণা।
তবে সবাই হতাশ নন। এলারার মতে, অক্টোবর-ডিসেম্বরে কৃষি উপকরণের শেয়ার তলানিতে পৌঁছে ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, কারণ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এল নিনো দুর্বল হওয়ার কথা। গত এক বছরে খাতের বড় কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর ১৮ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে।
ছবি: Jeff Vanuga, USDA NRCS / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Global Agriculture





মন্তব্য
(০)