মুরগির ডিম ফোটানোর যন্ত্রে তা দেওয়ার চতুর্থ দিনেই ডিম না ভেঙে ভেতরের ভ্রূণ মোরগ না মুরগি তা বলে দিতে পারে, এমন একটি যন্ত্র বাজারে আনছে তিন কোম্পানি: স্যানোভো টেকনোলজি গ্রুপ, কানাডিয়ান এগ টেকনোলজিস (সিইটি) ও ম্যাট্রিক্সস্পেক সলিউশনস। সিইটির বরাতে দ্য পোলট্রি সাইট জানিয়েছে, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ইন্টারন্যাশনাল প্রোডাকশন অ্যান্ড প্রসেসিং এক্সপোতে (আইপিপিই) যন্ত্রটি দেখানো হবে। এর পরিকল্পনা নিয়ে গত সপ্তাহে ডেনমার্কের ওডেন্সে তিন কোম্পানির প্রতিনিধিরা বৈঠক করেন।
যন্ত্রটি হাইপারস্পেকট্রাল ইমেজিং, অর্থাৎ আলোর বহু তরঙ্গদৈর্ঘ্যে ছবি তুলে বিশ্লেষণের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তা দেওয়ার চতুর্থ দিনেই ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ করে, ডিমের কোনো ক্ষতি ছাড়াই। কোম্পানিগুলোর দাবি, এটি হ্যাচারিতে যাচাই করা এবং একমাত্র বাণিজ্যিক ব্যবস্থা, যা প্ল্যাটফর্ম হালনাগাদ করে বড় নতুন বিনিয়োগ ছাড়াই তা দেওয়ার আগেই (শূন্য দিনে) লিঙ্গ নির্ধারণে উন্নীত করা যাবে।
যন্ত্রটি ছোট স্বাধীন হ্যাচারি থেকে বড় কারখানা পর্যন্ত সব আকারের হ্যাচারির চলমান প্রক্রিয়ায় বসানোর মতো করে তৈরি, হ্যাচারিতে সচরাচর থাকা সরঞ্জামের সঙ্গেই কাজ করে। কোম্পানিগুলো বলছে, চতুর্থ দিনে মোরগ ও অনুর্বর ডিম চিহ্নিত হয়ে যায় ভ্রূণের ব্যথা অনুভবের সক্ষমতা তৈরির অনেক আগে, যা বড় আন্তর্জাতিক প্রাণিকল্যাণ সংস্থাগুলোর মানদণ্ড।
আগেভাগে এসব ডিম সরিয়ে ফেলায় জায়গাও বাঁচে। কোম্পানিগুলোর হিসাবে চতুর্থ দিনে ইনকিউবেটরে ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ বেশি জায়গা খালি হয় কার্যকর মুরগির ডিমের জন্য, আর এতে দামি ভোগ্যসামগ্রী বা বেশি বিদ্যুৎ লাগে না। প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীরা হ্যাচারির জন্য প্রস্তুত যন্ত্রটি চালু অবস্থায় দেখতে পারবেন। কার্যকারিতার এসব তথ্য কোম্পানিগুলোর নিজেদের। প্রতিবেদনটি লিখেছেন মেলানি এপ।
ছবি: Roee Shpernik / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: The Poultry Site





মন্তব্য
(০)