সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৬%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

মিষ্টি আলুর চাষ করবেন যেভাবে

মিষ্টি আলু বাংলাদেশের একটি অবহেলিত ফসল হলেও গণচীন, পাপুয়া নিউগিনি এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশে এটি মানুষের প্রধান খাদ্য। তাছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশে এটি আলুর চেয়ে বেশি

মিষ্টি আলু বাংলাদেশের একটি অবহেলিত ফসল হলেও গণচীন, পাপুয়া নিউগিনি এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশে এটি মানুষের প্রধান খাদ্য। তাছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশে এটি আলুর চেয়ে বেশি দামে বিক্রয় হয়। মিষ্টি আলুর পুষ্টিগুণ/খাদ্যমান, বাজারদর, সবজি এবং গোখাদ্য হিসেবে এর গুরুত্ব অনেক বেশি। এফএও’র হিসাব অনুযায়ী সারা বিশে-এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল।

মিষ্টি আলুর গাছ একটি লতানো বিরুৎ। বৈজ্ঞানিক নাম Ipomeoa batatas. ইহা Convolvulaceac পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। ইংরেজিতে একে Sweet Potato বলে। গ্রীষ্ম প্রধান জলবায়ুতে এটি দীর্ঘজীবী, একবার লাগালে বছরের পর বছর বেঁচে থাকে। রবি মৌসুমে মিষ্টি আলু চাষ লাভজনক। খরিফ মৌসুমে সবজি/শাক/গোখাদ্য হিসেবে চাষ করা লাভজনক।

জাত: বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানা জাতের মিষ্টি আলুর চাষ হয়। স্থানীয় জাতের চেয়ে উন্নত জাতের ফলন অনেক বেশি। তৃপ্তি ও কমলা সুন্দরী জাত দুইটি উচ্চফলনশীল। যার ফলন হেক্টরপ্রতি ৩০-৪০ টন। জাতের কা- বেগুনি, পাতা গাঢ় সবুজ, ফল মূল সাদা, শাঁস হালকা হলুদ। এতে সামান্য পরিমাণ ক্যারোটিন আছে।

লতা/কাটিং প্রাপ্তির জন্য বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা ও কৃষি গবেষণা উপকেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব খামার, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের বিভিন্ন নার্সারিতে যোগাযোগ করতে পারেন।

কাটিং/লতা লাগানোর সময়: মধ্য অক্টোবর হতে মধ্য নভেম্বর পর্যন্ত লাগানোর উপর্যুক্ত সময়।জমি তৈরি: জমি গভীর করে কর্ষণ করা উচিত। এজন্য বার বার চাষ দিয়ে মাটি ঝুরঝুর করে বড় ঢেলা ভেঙে দিতে হয়। এতে মিষ্টি আলুর বাড় বাড়তি ভালো হয়।

চারা কাটিং/লতা লাগানো: প্রতি খণ্ড ২৫-৩০ সেমি. লম্বা হওয়া উচিত। আগার খণ্ড (অগ্রীয় কুঁড়িসহ) সবচেয়ে বেশি ফলন দেয়। আগার খণ্ড পাাওয়া গেলে মাঝখানের খণ্ড না লাগানোই উচিত। বেশি বয়স্ক খণ্ড বীজ/কাটিং হিসেবে ব্যবহার বর্জনীয়। মাঝখানের খণ্ড লাগানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে, যাতে গোড়ার দিক মাটিতে পোঁতা হয়।

সারি থেকে সারি ৬০ সেমি., কাটিং থেকে কাটিং ৩০ সেমি. (উন্নত জাতের বেলায়) দূরত্বে লতা রোপণের জন্য প্রতি হেক্টরে কাটিং লাগে- ৫৫,৫৫৫টি, বিঘায় লাগে ৭,৭০৫টি। কাটিংয়ের ২/৩টি আক বা গিঁট মাটির নিচে থাকতে হবে ৩-৪ সেমি. গভীরে সমান্তরালভাবে শুইয়ে দিয়ে উপরের অংশ বাঁকিয়ে খাঁড়া করে দিতে হবে। রোপণের সময় আবহাওয়া শুকনো হলে কয়েকটি পাতা ছাঁটাই করে দিতে হবে। রস না থাকলে কাটিং/চারার গোড়ায় পানি দিতে হবে।

সার প্রয়োগ: আমাদের দেশের অধিকাংশ কৃষকই মিষ্টি আলু চাষে কম পরিমাণ সার প্রয়োগ করেন। কাক্সিক্ষত ফলন পেতে হলে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে। সারের মাত্রা হেক্টরপ্রতি গোবর ১০ টন, ইউরিয়া ১৪০ কেজি, টিএসপি ১০০ কেজি ও পটাশ ১৫০ কেজি।কোন জমিতে সালফার ও দস্তার অভাব থাকলে প্রয়োজনীয় সার ব্যবহার করতে হবে।

পানি সেচ: মিষ্টি আলু হচ্ছে খরা প্রতিরোধ সম্পন্ন ফসল। তাই সাধারণত সেচের কম। প্রয়োজনে সেচ দেয়া যেতে পারে।পরিচর্যা : মিষ্টি আলুর ক্ষেত লতা দিয়ে পরিপূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আগাছামুক্ত রাখতে হবে।

ফসল: ১৫০ দিনের মাথায় ফসল সংগ্রহ করা হয়। তবে মার্চ মাসের মধ্য ফসল সংগ্রহ করা উচিত। হেচ্কা টান দিয়ে কন্দমূল লতা থেকে লতা আলাদা না করে ধারালো চাকু দিয়ে কেটে সংরক্ষণ করলে রোগাক্রান্ত হবে না।

নিজস্ব প্রতিনিধিদা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

ফসল

লালপুরে পদ্মার ঢলে চরের সাড়ে তিন হাজার বিঘার ফসল তলিয়ে ৬০ লাখ টাকার ক্ষতি

১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর উজানের ঢলে নাটোরের লালপুরের বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের আটটি চরের ফসল ডুবে ১ হাজার ৩০০ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত; পানি নামার পর ক্ষতির হিসাব সরকারের কাছে পাঠিয়েছে কৃষি বিভাগ।

সমকাল১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু রোপণে ব্যস্ত কৃষক, লক্ষ্য ৪,১০০ হেক্টর

আমন কাটার পরপরই জমি তৈরি করে আগাম আলু বুনছেন কিশোরগঞ্জের কৃষকেরা; গত মৌসুমে দাম না পেয়ে লোকসান হলেও কম দামের বীজ আর অনুকূল আবহাওয়ায় এবার লাভের আশা।

কৃষি সময়৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

আলুর জোগান টেকাতে চাষিদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ভরসা পেপসিকোর

খরা, চরম আবহাওয়া ও বাড়তি খরচের চাপে থাকা সরবরাহ শৃঙ্খলের তিন লাখ কৃষকের জন্য ৩৫টির বেশি দেশের চাষিদের এক জায়গায় এনে কী কাজ করে তা ভাগাভাগির সুযোগ করে দিচ্ছে পেপসিকো, জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক কৃষি ক্রয়প্রধান।

AgNavigator৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)