অস্ট্রেলিয়ায় আখচাষিদের মালিকানাধীন শেষ চিনিকল, কুইন্সল্যান্ডের আইসিস সেন্ট্রাল সুগার মিল (Isis Central Sugar Mill), চালু থাকতে কয়েক মিলিয়ন ডলারের সরকারি ঋণ চাইছে।
ব্রিসবেন থেকে গাড়িতে প্রায় চার ঘণ্টা উত্তরে অবস্থিত কলটি ১২৯ বছর ধরে আখ মাড়াই করছে। মৌসুমে এখানে ২৫০ জন কাজ করেন এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে দেড় হাজারের বেশি কর্মসংস্থান এর ওপর নির্ভরশীল। কলের পরিচালনা পর্ষদ জানিয়েছে, কুইন্সল্যান্ড সরকারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯০ লাখ ডলারের ঋণের বিষয়ে নীতিগত সমঝোতা হয়েছে, যা ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খরচ চালাবে।
২০২৬ মৌসুমে যান্ত্রিক সমস্যা লেগেই ছিল, দুটি বয়লারের একটি পাঁচ সপ্তাহ বন্ধ ছিল। কলটি এ বছর প্রায় ১২ লাখ টন আখ মাড়াইয়ের লক্ষ্য নিয়েছিল, কিন্তু মৌসুম শেষের দুই মাস আগে ৫১ হাজার টন পিছিয়ে আছে। প্রধান নির্বাহী সাইমন ব্রুকস (Simon Brooks) বলেন, কর্মবিরতিও চাপ বাড়িয়েছে, তবে মূল চাপ বিশ্ববাজারে চিনির দাম; তাঁদের আয় পুরোপুরি চিনির দামের ওপর নির্ভরশীল।
ব্রুকস চান কেন্দ্রীয় সরকারও সমপরিমাণ অর্থ দিক; চিনির ওপর নির্ভরতা কমাতে কলের পাশে একটি জৈব জ্বালানি কেন্দ্র গড়ার ব্যবসায়িক পরিকল্পনার কথা বলছেন তিনি। পরিবহন খরচও বাড়ছে: মেরিবরো থেকে কলগামী রেল স্থানান্তর কেন্দ্রে আখ নিতে দিনে প্রায় ১০০টি ট্রাক চলে।
ফ্রেজার কোস্ট থেকে নর্থ বার্নেট পর্যন্ত প্রায় ২০০ চাষি এই কলে আখ দেন। ২০২০ সালে মেরিবরোর স্থানীয় কল বন্ধ হওয়ার পর এখানে মাড়াই ৫০ শতাংশ বেড়েছে। আখ দুই বছর আগে লাগাতে হয় বলে চাষিরা নিশ্চয়তা চান। মেরিবরো কেনগ্রোয়ার্সের সভাপতি রজার বাম্বলিং বলেন, আরেকটি কল বন্ধ হলে তা হবে বিধ্বংসী; কল ও চাষিদের নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন টেইলা লারসেন (Tayla Larsen)।
ছবি: Queensland State Archives / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: এবিসি রুরাল





মন্তব্য
(০)