কৃষকের মাঠে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রয়োগ করে ভারতের রাজস্থানের উদয়পুর এলাকায় আফ্রিকান দৈত্য শামুকের আক্রমণ ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কমানো গেছে বলে জানিয়েছে আইসিএআরের জাতীয় সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা গবেষণা কেন্দ্র (এনআরসিআইপিএম)।
আদিবাসী উপ-পরিকল্পনার আওতায় বিছিওয়াড়া গ্রামে ‘আফ্রিকান দৈত্য শামুকের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা: একটি সাফল্যের গল্প’ শীর্ষক কৃষক কর্মশালায় ফলাফল তুলে ধরা হয়। শামুকটি বহুভোজী বালাই, ভুট্টা, সবজি, ডাল ও ফলের গাছের ক্ষতি করে, আর মাঠে এর উপদ্রব বাড়ছে।
কেন্দ্রের পরিচালক ড. রমন থাঙ্গাভেলু কৃষকদের বলেন, শুধু রাসায়নিকে কাজ হবে না; চাষাবাদ, যান্ত্রিক, জৈব ও রাসায়নিক পদ্ধতি একসঙ্গে লাগবে। কৃষকদের সকালে ও সন্ধ্যায় শামুক হাতে ধরে নষ্ট করতে, মাটি থেকে ডিম সরাতে, খামির বা গুড়ের ফাঁদ পাততে এবং পাখি ও ব্যাঙের মতো প্রাকৃতিক শত্রু রক্ষা করতে পরামর্শ দেওয়া হয়।
প্রয়োজনে মেটালডিহাইড, আয়রন ফসফেট, কপার সালফেট, লবণ ও চুনের বিবেচনাপ্রসূত ব্যবহারের সুপারিশও করা হয়।
আইসিএআরের ভাষ্য, এই উদ্যোগে ফসল রক্ষা পেয়েছে এবং কৃষকের আয় বেড়েছে; একই সমস্যায় থাকা অন্য কৃষকদের জন্য একে কৃষক-বিজ্ঞানী সহযোগিতার মডেল হিসেবে তুলে ধরছে কেন্দ্রটি। পাতায় শুধু তারিখ দেওয়া আছে, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
ছবি: Obsidian Soul / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)
সূত্র: আইসিএআর




মন্তব্য
(০)