তুলা, তেলবীজ ও ডালের মতো ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বীজ নিয়ন্ত্রণে একক কাঠামো এবং নতুন জাত, বৈশিষ্ট্য ও প্রযুক্তির বিজ্ঞানভিত্তিক দ্রুত অনুমোদন চেয়েছে ভারতের বেসরকারি বীজশিল্প।
ফেডারেশন অব সিড ইন্ডাস্ট্রি অব ইন্ডিয়ার (এফএসআইআই) সভাপতি অজয় রানা বলেন, জলবায়ুর চাপে পড়া এবং বিপুল পরিমাণে আমদানি করতে হয় এমন ফসলে দ্রুত নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ জরুরি। তাঁর ভাষায়, ইউপিআইয়ের মতো প্রযুক্তি দেশ দ্রুত গ্রহণ করলেও কৃষিতে প্রযুক্তি নিয়ে বিতর্ক চলে বেশি। দ্রুত অনুমোদন প্রতিষ্ঠানগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে। জিন সম্পাদনা ও জিনগতভাবে পরিবর্তিত (জিএম) ফসল — দুটিই পাশাপাশি থাকা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
ভারতে বাণিজ্যিক চাষের অনুমোদিত একমাত্র জিএম ফসল তুলা। ২০০২ সালে বলগার্ড-১ এবং ২০০৬ সালে গুটিপোকা-প্রতিরোধী বলগার্ড-২ আসার পর নতুন কোনো তুলার বৈশিষ্ট্য আসেনি; শিল্পের মতে এ কারণেই উৎপাদন থমকে আছে, আমদানি বাড়ছে। ২০২৪ সালে জিএম সরিষার শর্তসাপেক্ষ অনুমোদনের বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বিভক্ত রায় দেন।
ভারত ইতিমধ্যে জিন সম্পাদনায় তৈরি দুটি ধানের জাত — ডিআরআর রাইস ১০০ (কমলা) ও পুসা ডিএসটি রাইস ১ — ছেড়েছে, যা ফলন প্রায় ১৫-২০ শতাংশ বাড়ায়, লবণাক্ততা সহ্য করে ও পানি সাশ্রয় করে। ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আরও ৪০টি কৃষি-উদ্যান ফসলে গবেষণা চলছে। ২০২২ সালের মার্চে পরিবেশ মন্ত্রণালয় এসডিএন-১ ও এসডিএন-২ ধরনের জিন সম্পাদিত ফসলকে জিএম ফসলের কড়া জৈবনিরাপত্তা বিধি থেকে অব্যাহতি দেয়।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন সন্দীপ দাস।
ছবি: njanam92 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Financial Express Agriculture





মন্তব্য
(০)