ভোক্তাপণ্যের ব্যবসা মেইনল্যান্ড লাকটালিসের কাছে বিক্রির পর যে আয় হারানোর কথা ছিল, তিন বছরের লক্ষ্যের বদলে এক বছরেই তা পুষিয়ে নিয়েছে নিউজিল্যান্ডের দুগ্ধ সমবায় ফন্টেরা। প্রতিষ্ঠানটির ২০২৬ সালের আর্থিক ফলাফলের খবর দিয়েছে ফার্মার্স উইকলি এনজেড।
পরিচালন মুনাফা ২৪ শতাংশ বেড়ে ১৮০ কোটি নিউজিল্যান্ড ডলার হয়েছে, যা ২০২৮ অর্থবছরের ১৭০ কোটির লক্ষ্যের চেয়েও বেশি। কর-পরবর্তী মোট মুনাফা দ্বিগুণ হয়ে ২৬০ কোটি ডলার; মূল ব্যবসার কর-পরবর্তী মুনাফা ১২০ কোটি ডলার বা শেয়ারপ্রতি ৭১ সেন্ট। রেকর্ড পরিমাণ দুধ সংগ্রহ, প্রক্রিয়া ও বিক্রি করে আয় হয়েছে ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলার; মূলধনের ওপর মুনাফা ১৪.২ শতাংশ, লক্ষ্য ছিল ১০-১২ শতাংশ। নিট ঋণ প্রায় ১০০ কোটি কমে ১৭০ কোটি ডলার।
বছরে খামারি-শেয়ারহোল্ডাররা মোট ১ হাজার ৯৬০ কোটি ডলার নগদ পেয়েছেন: প্রতি কেজি মিল্কসলিডে দুধের দাম ৯.৬৯ ডলার, মেইনল্যান্ডের ১৬ সেন্টের বিশেষ লভ্যাংশসহ শেয়ারপ্রতি ৭৩ সেন্ট লভ্যাংশ এবং ৩২০ কোটি ডলারের মূলধন ফেরত—১৬০ কোটি কেজিতে কেজিপ্রতি মোট ১২.৪২ ডলার।
দুধ সংগ্রহ বেড়েছে ৪.১ শতাংশ; খামারপ্রতি গড় উৎপাদন ১ লাখ ৮৩ হাজার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৯৪ হাজার কেজি মিল্কসলিড। আগামী তিন বছরে দক্ষিণ দ্বীপে প্রোটিন উৎপাদন বাড়াতে ও পরিবেশগত মান উন্নত করতে বাড়তি ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে ফন্টেরা।
প্রধান নির্বাহী রিচার্ড অ্যালেন বলেন, এই বিনিয়োগে আরও বেশি দুধ গুঁড়া দুধ ও সাধারণ পণ্য থেকে উচ্চমূল্যের পণ্যে যাবে; টেকসইভাবে উৎপাদিত, প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের চাহিদা বাড়ছে বলে জানান তিনি।
ছবি: Ingolfson / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Farmers Weekly NZ





মন্তব্য
(০)