যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে খামার দেখতে যাওয়া মানুষেরা বেশির ভাগই খবর পান বন্ধু, পরিবার ও সহকর্মীর মুখে। ২০২৫ সালে ওরেগনের ১১টি খামারের প্রায় ৫০০ কৃষি পর্যটকের ওপর ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির (ওএসইউ) জরিপে এ তথ্য মিলেছে। খামারিদের বিপণন কৌশল উন্নত করতেই জরিপটি করা হয়।
ওএসইউর কৃষি পর্যটন কর্মসূচির সমন্বয়ক অড্রে কমারফোর্ড বলেন, তাঁরা ভেবেছিলেন মানুষ ফেসবুক, সামাজিক মাধ্যম বা অনলাইন খোঁজে খামারের খবর পান; অবাক করা তথ্য হলো, পরামর্শই বেশি কাজ করে। খামার দেখার কারণ হিসেবে দর্শনার্থীরা সবার আগে বলেছেন শেখার কথা, তারপর খাবার কোথা থেকে আসে তা জানার কথা।
অলসির কাছে ১৯৮০-এর দশকে মা-বাবার শুরু করা ভেষজ ও বীজের খামার দ্য থাইম গার্ডেন চালান দুই বোন এমিলি স্টিম্যাক ও বেথানি গ্ল্যানভিল। তাঁদের মতে, বীজের ভিড়ের বাজারে দর্শনার্থীদের জন্য খামার খুলে দেওয়াই ব্যবসাটিকে টিকিয়ে রেখেছে। বিপণনের বাজেট খুব ছোট, তাই অতিথিদের মুখে মুখে প্রচারই ভরসা।
ভেড়ার খামার লিপিং ল্যাম্ব ফার্মের স্কটি জোনস বলেন, খামার ভ্রমণ কেবল পশু ছুঁয়ে দেখার চিড়িয়াখানা হলে চলবে না, শিক্ষা আর বিনোদনের ভারসাম্য দরকার। ক্যানবির কাছে টিএমকে ক্রিমারিতে কখ পরিবার ক্রেতাদের পাশের দুগ্ধখামারে গিয়ে গরু দেখা ও প্রশ্ন করার সুযোগ দেয়, যা ভুল ধারণা দূর করে বলে জানান টেস কখ। প্রতিবেদনটি লিখেছেন মাতেউশ পারকোস্কি।
ছবি: Finetooth / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Capital Press





মন্তব্য
(০)