মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) কৃষিঋণ কর্মসূচিতে কয়েকটি পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে, যাতে আমলাতান্ত্রিক জট কমে এবং কৃষকের হাতে দ্রুত ঋণের টাকা পৌঁছায়। তবে কৃষক সংগঠনগুলো বলছে, বড় সমস্যা হলো ঋণের সর্বোচ্চ সীমা, যা এখনকার চাষের খরচের সঙ্গে আর মেলে না—আর সেটি ঠিক করতে পারে কেবল নতুন ফার্ম বিল।
ইউএসডিএ যোগ্য সরাসরি ঋণগ্রহীতাদের জন্য দ্রুত আবেদন-প্রক্রিয়া স্থায়ী করছে; পরীক্ষামূলক পর্যায়ে এতে প্রক্রিয়াকরণের সময় প্রায় আট দিন কমেছে। অভিজ্ঞ কৃষি ঋণদাতাদের কম কাগজপত্র ও কম স্তরের পর্যালোচনায় গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রক্রিয়ার বেশি ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, আর ২০২৭ সাল থেকে কাগজের আবেদন ছেড়ে ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আমেরিকান ফার্ম ব্যুরো ফেডারেশনের অর্থনীতিবিদ ড্যানি মাঞ্চ বলেন, এসব পদক্ষেপ সহায়ক, কিন্তু কৃষিজমির দাম, যন্ত্রপাতির খরচ ও উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। তাঁর ভাষায়, ইউএসডিএ কাগজপত্র কমাতে ও প্রযুক্তি আধুনিক করতে পারে, কিন্তু ফেডারেল আইন না বদলালে নিজে থেকে ঋণসীমা বাড়াতে পারে না।
মাঞ্চের তথ্যমতে, প্রস্তাবিত ফার্ম বিলে সরাসরি ঋণের সীমা ৮ লাখ ৫০ হাজার ও ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারে তোলা, গ্যারান্টিযুক্ত ঋণের সীমা বাড়ানো এবং ক্ষুদ্রঋণের সীমা দ্বিগুণ করে ১ লাখ ডলার করার কথা রয়েছে; এসব কর্মসূচির সত্যিকার চাহিদা আছে। এ কারণেই ফার্ম বিল এত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন, এবং ফার্ম ব্যুরো চায় বিলটি দ্রুত পাস হোক।
সামনের মৌসুমের আগে নগদ টানাটানি, বাড়তি উপকরণ খরচ আর অস্থির বাজারের মুখে থাকা কৃষকদের জন্য দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ মানে চলতি মূলধন তাড়াতাড়ি পাওয়া; তবে খামার বড় করা বা জমি কেনার মতো বড় ঋণ কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।
ছবি: JSquish / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: মিশিগান এজি টুডে





মন্তব্য
(০)