কার্বন সীমান্ত সমন্বয় ব্যবস্থা (সিবিএএম) থেকে আয়ের একটি অংশ কৃষকদের সহায়তায় দেওয়ার ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রস্তাবকে জোড়াতালির চেয়ে বেশি কিছু নয় বলে সমালোচনা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃষক সংগঠনগুলো।
এ মাসের শুরুতে পার্লামেন্ট অল্প ব্যবধানে একটি সুরক্ষা ধারা বাদ দেওয়ার পক্ষে ভোট দেয়, যার মাধ্যমে বাজার বিপর্যয়ের মতো ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে সারকে সিবিএএমের আওতার বাইরে রাখা যেত। তার বদলে প্রস্তাব করা হয়েছে একটি সাময়িক ডিকার্বনাইজেশন তহবিল, যা সিবিএএমের আয় ক্ষতিগ্রস্ত খাতে পাঠাবে। সিবিএএমে সারসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানিকারকদের সনদ কিনতে হয়।
ইউরোপের কৃষক সংগঠনগুলোর জোট কোপা-কোজেকা (Copa-Cogeca) বলেছে, সারের দাম যখন চড়া আর ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় জ্বালানি ও সারের বাজার চাপে, তখন সুরক্ষা ধারা বাদ দেওয়া একেবারেই বোধগম্য নয়। সার ইউরোপের কৃষিতে সবচেয়ে বড় উপকরণ খরচগুলোর একটি, অনেক শস্যচাষির জন্য সবচেয়ে বড়; উৎপাদন খরচ বাড়লে তা খাদ্যের দামেও পড়বে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি।
কোপা-কোজেকা মনে করিয়ে দিয়েছে, তহবিলটি মাত্র দুই বছরের, অথচ সিবিএএম স্থায়ী এবং ২০৩৪ সাল পর্যন্ত এর খরচ ধাপে ধাপে বাড়বে; পার্লামেন্ট ও কাউন্সিলের অবস্থান দেখে আসন্ন আলোচনায় অর্থবহ সমাধানের আশা কম।
ছবি: Andy Beecroft / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Agriland





মন্তব্য
(০)