ইংল্যান্ডের সাসটেইনেবল ফার্মিং ইনসেনটিভ ২০২৬ (এসএফআই২৬)-এ মাত্র ১২৫টি চুক্তিতে মুরল্যান্ড বা পার্বত্য জলো-তৃণভূমির কাজ রয়েছে। ডেফরার এই তথ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে প্রকল্পটি উঁচু এলাকার বড় অংশে পৌঁছাচ্ছে না, জানিয়েছে Farmers Weekly। প্রথম আবেদনপর্বে এমন চুক্তি ছিল ৫২টি, দ্বিতীয় পর্বে ৭৩টি; কোন কাজে কত হেক্টর আর চুক্তিগুলো কোথায়, তা রুরাল পেমেন্টস এজেন্সি এখনো প্রকাশ করেনি।
পার্বত্য খামারের পক্ষে সোচ্চার ও যৌথ জমি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জুলিয়া অ্যাগলিওনবি এই অংশগ্রহণকে "করুণ" বলেছেন, কারণ ইংল্যান্ডের মুরল্যান্ডের ৩৩ শতাংশ, ২ লাখ ৬০ হাজার হেক্টরের বেশি জমি কোনো পরিবেশ-কৃষি চুক্তির আওতায় নেই। তাঁর মতে এসব জমি এসএফআই২৬-এর যোগ্য ছিল, কিন্তু পশুর সংখ্যা নিয়ে নিয়ম, যৌথ জমি বাদ পড়া, একটি বড় পশুহাটের দিনে আবেদনের শেষ দিন পড়া আর পরামর্শকের ঘাটতি কৃষকদের নিরুৎসাহিত করেছে।
এক্সমুরের পার্বত্য কৃষক ও এক্সমুর ন্যাশনাল পার্ক অথরিটির চেয়ারম্যান রবিন মিল্টন বলেন, পরিশোধের হারও কৃষকদের পিছু হটাতে পারে: মুরল্যান্ডের সীমার ওপরে অনেক ভালো তৃণভূমি কম উপকরণের চারণভূমির মতো বিকল্পের উপযোগী, কিন্তু অনেক খামারকে পশুর সংখ্যা অনেক কমাতে হবে, আর "পরিশোধের হার সেই আয়ের ক্ষতি পুষিয়ে নাও দিতে পারে"।
অধ্যাপক অ্যাগলিওনবি একটি সর্বজনীন এসএফআইয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে প্রতিটি খামার তিন মাসের আবেদন সময়ে যোগ্য জমির হেক্টরপ্রতি ২৩০ পাউন্ড পর্যন্ত পাবে, আর অব্যবহৃত অর্থ যাবে কান্ট্রিসাইড স্টুয়ার্ডশিপের উচ্চ স্তর বা মূলধন অনুদানে। ২০২৬ সালের প্রকল্পে আবেদন বন্ধ হয়ে গেছে।
কৃষিমন্ত্রী স্টিফেন মরগান বলেন, এ বছরের শিক্ষা নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে মিলে এসএফআই২৭ সাজাতে তিনি বদ্ধপরিকর, আগে এলে আগে পাবেন পদ্ধতির বিকল্পও খোঁজা হবে; আর ডেফরা জানিয়েছে, যৌথ জমির জন্য উচ্চ স্তরের আবেদনের পরীক্ষামূলক পর্ব শুরু হচ্ছে।
ছবি: Martin Dawes / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)