সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

এল নিনোর প্রভাবে এবার শীত হতে পারে উষ্ণ, ছোট আর কুয়াশাঢাকা

আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, শীতের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে, শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে স্বল্পস্থায়ী; বৃষ্টি কম হলে কুয়াশা বাড়বে, বোরো মৌসুমে সেচের চাহিদাও বাড়তে পারে।

এল নিনোর প্রভাবে এবার শীত হতে পারে উষ্ণ, ছোট আর কুয়াশাঢাকা
পরিবেশ

প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী এল নিনোর কারণে এবারের শীত বাংলাদেশে তুলনামূলক উষ্ণ, কম স্থায়ী ও কুয়াশাপ্রবণ হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদেরা। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে বৃষ্টি স্বাভাবিকের চেয়ে যথাক্রমে ৮ ও ১৮ শতাংশ কম হয়েছে, তাপমাত্রাও ছিল বেশি; অক্টোবরেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ওপরে থাকার পূর্বাভাস। প্রথম আলোর প্রতিবেদক পার্থ শঙ্কর সাহা আবহাওয়াবিদদের সঙ্গে কথা বলে এই বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বলেন, জুনের পর থেকেই এল নিনোর শক্তিশালী অবস্থা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পুরো ভারতীয় অঞ্চলে পড়ে। অক্টোবর এবং অক্টোবর-ডিসেম্বরের পূর্বাভাসে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ও বৃষ্টি কম থাকার ইঙ্গিত আছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) ৩ সেপ্টেম্বরের হালনাগাদে বলা হয়েছে, এল নিনো দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর ও ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারিতে তা থাকার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ।

তবে শীত একেবারে থাকবে না, এমন নয়। বজলুর রশীদের ভাষায়, ‘শীতে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকবে। তবে বৃষ্টি কম হলে কুয়াশা বাড়তে পারে।’ ঘন কুয়াশায় দিনের বেলা ঠান্ডা লাগলেও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, সমুদ্রপৃষ্ঠ ও নিম্ন বায়ুমণ্ডল উষ্ণ থাকার পাশাপাশি প্রায় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার ওপরে আফগানিস্তান থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত একটি উচ্চচাপ বলয় তৈরি হচ্ছে, যা দিনের তাপ নিচে আটকে রেখে রাতের স্বাভাবিক শীতলতা ধীর করে দেবে। সাধারণত শীতে তাপমাত্রা ১২ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে; এবার তা প্রায় ১৪ থেকে ২৬ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। তাঁর মতে, দীর্ঘ শৈত্যপ্রবাহের বদলে স্বল্পস্থায়ী, বিচ্ছিন্ন শৈত্যপ্রবাহ বেশি হবে, যদিও উত্তরাঞ্চলে কোনো কোনো রাতে তীব্র ঠান্ডা লাগতে পারে।

কৃষিতে এর প্রভাব পড়তে পারে। শীতকালীন অনেক ফসলের জন্য নির্দিষ্ট মাত্রার ঠান্ডা দরকার, আর দীর্ঘ কুয়াশায় পাতায় আর্দ্রতা জমে রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়ে; তবে কোন ফসলে কতটা প্রভাব, তা নির্ভর করবে অঞ্চল, মাটির আর্দ্রতা ও কুয়াশার স্থায়িত্বের ওপর। শীতে বৃষ্টি কম হলে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা বাড়বে, আর বোরো মৌসুমে সেচ এবং পানি ও বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়তে পারে।

বৃষ্টি কম হলে বাতাসে ধুলা ও দূষণ বাড়বে, ঢাকার বায়ুর মান আরও খারাপ হতে পারে, আর উত্তরাঞ্চলে কুয়াশায় সড়ক ও নৌপথে চলাচলে সমস্যা হতে পারে। বজলুর রশীদ সতর্ক করেছেন, এল নিনো ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শক্তিশালী থাকলে পরের গ্রীষ্মে তাপপ্রবাহ দীর্ঘ হওয়ার ঝুঁকিও বাড়বে।

ছবি: Topu Saha / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

ঘানার আক্রার সৈকতে বাতিল পোশাকের পাহাড়, জালে মাছের বদলে উঠছে কাপড়

আমেরিকা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রতি সপ্তাহে আসা ব্যবহৃত পোশাকের প্রায় ৪০ শতাংশ অচল; সেগুলো নর্দমা আর অবৈধ ভাগাড় হয়ে সমুদ্রে গিয়ে সৈকতে জমছে, তৈরি করছে মাইক্রোপ্লাস্টিক।

আনন্দবাজার৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

ফেলে দেওয়া বোতলে ভাসমান বেড, গুলশান লেকে সবজি ফলাচ্ছেন কড়াইলের বাসিন্দারা

বাঁশের কাঠামোয় প্লাস্টিকের খালি বোতল আর নারকেলের ছোবড়া বেঁধে বানানো ভাসমান বেডে কচু, লতি, পুঁইশাক, লালশাক ফলছে; নিজেদের খাবারের পাশাপাশি প্রতিবেশীদের নামমাত্র দামে বা বিনা মূল্যে দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা।

দিনাজপুর টিভি৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: ডিসেম্বরে শেষ গঙ্গা চুক্তি, নবায়ন নয়, দরকার ন্যায্য ও বিজ্ঞানভিত্তিক নতুন চুক্তি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের সহযোগী অধ্যাপক খায়ের মাহমুদ লিখেছেন, ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে ন্যূনতম প্রবাহের নিশ্চয়তা, পরিবেশগত প্রবাহ ও বাধ্যতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেই; মেয়াদ শেষে অন্তর্বর্তী শূন্যতার ঝুঁকিও আছে।

বাংলা ট্রিবিউন৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)