খুলনার ডুমুরিয়ায় খননের জন্য তৈরি খালের তালিকা থেকে দখলে থাকা দুটি খালের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে শনিবার উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের শত শত মানুষ মানববন্ধন করেন। তাঁদের দাবি, খাল দুটি খনন না হলে আশপাশের কৃষিজমি দীর্ঘমেয়াদে জলাবদ্ধতায় পড়বে, শত শত পরিবারের বসতভিটায়ও পানি জমবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় খননের জন্য জুলাইয়ে ডুমুরিয়ার পাঁচটি খালের তালিকা চাওয়া হয়। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের তালিকায় ছিল রংপুর ইউনিয়নের মাডুয়ার খাল, কৃষ্ণনগর-নিমতলা খাল, সাহস ইউনিয়নের দোলডাঙ্গার খাল এবং গুটুদিয়ার মস্তোর মোড় এলাকার তালিমুল খাল ও খুদে খাল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জমি ব্যবসায়ীরা গুটুদিয়ার খাল দুটি ভরাট করে রাস্তা বানিয়ে প্লট আকারে দখলে রেখেছেন। গুটুদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ তুহিনুল ইসলাম তুহিন বলেন, দুটি সরকারি খাল ভরাট করে রাস্তা ও স্থাপনা গড়া হয়েছে, কিন্তু উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি; তিনি সরকারি জমি উদ্ধার করে খাল দুটি খননের দাবি জানান।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস বলেন, খালের দুটি দাগের জমি ভুলবশত ব্যক্তিমালিকানায় নামজারি হয়েছিল; পরে ১৫০ ধারায় তা খারিজ করে সরকারের খতিয়ানে আনা হয়েছে এবং জমিটি দ্রুত উদ্ধার করা হবে।
পিআইও মো. আরিফ হোসেন বলেন, ইউএনও ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সমন্বয়ে একটি দল সরেজমিন দেখেছে খাল দুটি দখলে, সেখানে পাকা স্থাপনা ও সড়ক হয়েছে; এ কারণে প্রাথমিকভাবে সেগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্ত তালিকা এখনো পাঠানো হয়নি, বরাদ্দও আসেনি। ইউএনও সবিতা সরকারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করেও সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সমকাল।
সূত্র: সমকাল





মন্তব্য
(০)