সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৮ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ঢাকার বায়ুদূষণে শীর্ষে আগারগাঁও, অস্বাস্থ্যকর গুলশান-বনানী-ধানমন্ডির বাতাসও

আইকিউএয়ারের সূচকে শনিবার সন্ধ্যায় দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা ছিল তৃতীয়, শহরের সবচেয়ে বেশি দূষণ আগারগাঁওয়ে (১৮৬)। গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডির বাতাসও অস্বাস্থ্যকর; বিশেষজ্ঞরা লেক, উঁচু ভবন আর শীতের তাপমাত্রা বিপরীতমুখিতাকে দায় দিচ্ছেন।

ঢাকার বায়ুদূষণে শীর্ষে আগারগাঁও, অস্বাস্থ্যকর গুলশান-বনানী-ধানমন্ডির বাতাসও
পরিবেশ

গত সপ্তাহের তাপপ্রবাহের পর ঢাকায় শীতের আমেজ এলেও বাতাসের মান ভালো হয়নি। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আইকিউএয়ারের সূচকে শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা ছিল তৃতীয়, বায়ুমান সূচক ১৬৪, যা অস্বাস্থ্যকর। প্রথম দুই স্থানে ছিল কুয়েত সিটি ও কলকাতা।

শহরের পর্যবেক্ষণস্থলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূষণ ছিল আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) আশপাশে, সূচক ১৮৬। এরপর বারিধারা পার্ক রোড ১৬৮, বাড্ডার প্রগতি সরণি ও বেচারাম দেউড়ি ১৬৭, বারিধারা লেকসাইড ও ধানমন্ডি ১৬১, গুলশান লেক পার্ক ১৬০, বনানীর ইস্টার্ন হাউজিং ১৫৬ এবং গুলশান ২-এর গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এলাকা ১৫১। সবকটি স্থানের বাতাসই ছিল অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে। সূচকে ১৫১ থেকে ২০০ অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ খুবই অস্বাস্থ্যকর, ৩০০-এর বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব এলাকার দূষণে আশপাশেরও ভূমিকা আছে: কড়াইল বস্তির মাটির চুলা ও বর্জ্য পোড়ানোর ধোঁয়া গুলশান-বনানীতে, কামরাঙ্গীরচরের দূষণ ধানমন্ডি পর্যন্ত, আর প্রগতি সরণির খোঁড়াখুঁড়ির ধুলা বারিধারায় ছড়াতে পারে।

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, লেকের ওপরের বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় পিএম ২.৫ ও পিএম ১০ কণা জলীয় বাষ্পের সঙ্গে ভারী হয়ে ঝুলে থাকে। শীতে তাপমাত্রার বিপরীতমুখিতায় নিচে ঠান্ডা আর ওপরে গরম বাতাস ঢাকনার মতো তৈরি হয়, ফলে ধোঁয়া ও ধুলা ওপরে উঠতে পারে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন বলেন, পাশাপাশি দাঁড়ানো উঁচু ভবন বাতাসের স্বাভাবিক পথ আটকে দেয়, যাকে আরবান ক্যানিয়ন এফেক্ট বলে। তখন দূষিত কণা মাটির কাছাকাছি আটকে থেকে স্থানীয় দূষণ বহুগুণ বাড়ায়।

গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত ব্যক্তিগত গাড়ি ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের ধোঁয়াকে দায়ী করে বলেন, এসব গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে দূষণ কমানো সম্ভব। বনানী সোসাইটির সভাপতি শওকত আলী ভূঁইয়া (দিলন) বলেন, নির্মাণকাজে সুরক্ষাব্যবস্থার কথা আইনে থাকলেও প্রয়োগ নেই।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ-১) সিদ্ধার্থ শংকর কুণ্ডু বলেন, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত কার্যক্রম চলছে, এ বিষয়ে একটি কমিটি আছে, আসন্ন সভায় পরবর্তী নীতি ও করণীয় ঠিক করা হবে। প্রতিবেদনটি বাংলা নিউজ ২৪-এর নিউজ ডেস্কের।

ছবি: এই হলো অভীক / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪

বাংলা নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

শব্দদূষণে বদলে যাচ্ছে প্রাণীর আচরণ, কোলাহলের এলাকায় প্রাণী ৩৭ শতাংশ কমপরিবেশ

শব্দদূষণে বদলে যাচ্ছে প্রাণীর আচরণ, কোলাহলের এলাকায় প্রাণী ৩৭ শতাংশ কম

সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্টের গবেষণায় ১৭৭ প্রজাতির ওপর ২১৪টি পরীক্ষার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ প্রজাতির শরীর বা আচরণ বদলেছে; শব্দপূর্ণ এলাকায় প্রাণীর ঘনত্ব প্রায় ৩৭ শতাংশ কম।

ডেইলি বাংলাদেশ৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে খাবার কমছে, লোকালয়ে নামছে হাতির পালপরিবেশ

কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে খাবার কমছে, লোকালয়ে নামছে হাতির পাল

রোগে বাঁশ ও ঝোপঝাড় কমে যাওয়া আর মানুষের লতাপাতা সংগ্রহে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি এশীয় হাতির খাবারে টান পড়েছে; খাবারের খোঁজে রাতে লোকালয়ে নামছে তারা, বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি।

দ্য ডেইলি স্টার৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এডিসের প্রজননস্থল খুঁজবে শিক্ষার্থীরা: ‘ডেঙ্গু অ্যাম্বাসেডর’ কর্মসূচি শুরুস্বাস্থ্য

এডিসের প্রজননস্থল খুঁজবে শিক্ষার্থীরা: ‘ডেঙ্গু অ্যাম্বাসেডর’ কর্মসূচি শুরু

ডেঙ্গু প্রিভেনশন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ স্কুলশিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বাড়ি, স্কুল আর পাড়ায় এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংসের দায়িত্ব দিচ্ছে; হাউস, কনটেইনার ও ব্রেটো ইনডেক্সে ফল মাপা হবে।

সমকাল৮ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)