গাভী খোঁড়াতে শুরু করলে তবেই বেশির ভাগ খামারি টের পান, ততক্ষণে মর্টেলারো, খুরের হোয়াইট লাইন রোগ বা ঘায়ের মতো সমস্যা অনেক এগিয়ে যায়; দুধ কমে, চিকিৎসার খরচ বাড়ে। নিয়মিত চলন পর্যবেক্ষণ (লোকোমোশন স্কোরিং) সাহায্য করে, কিন্তু খুব কম খামারি তা করেন। আয়ারল্যান্ডের দুগ্ধখামারে এ সমস্যা বড় ক্ষতির কারণ।
সেনসরটেক (Censortec) নামের প্রতিষ্ঠানের তৈরি ব্যবস্থা কাজটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে করে। দোহনঘরের বের হওয়ার পথে বা বাছাই-ফটকের ওপর বসানো থ্রিডি ক্যামেরা প্রতিটি গাভী নিচ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তার পিঠের কয়েকটি বিন্দু স্ক্যান করে; কানের ইলেকট্রনিক ট্যাগে গাভী শনাক্ত হয়, আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ছবি থেকে চলন-নম্বর দেয়।
প্রচলিত ০ থেকে ৪ স্কেলের বদলে এখানে নম্বর ১ (মারাত্মক খোঁড়া) থেকে ১০০ পর্যন্ত। কোনো গাভীর নম্বর নির্দিষ্ট সীমার নিচে নামলে, বিশেষ করে দ্রুত কমতে থাকলে, খামারিকে সতর্ক করা হয়। ফলে আগেভাগে গাভীটিকে আলাদা করে দোহনঘরের কাছে রাখা, পর্যাপ্ত খাবারের জায়গা দেওয়া এবং বড় ক্ষতির আগে খুর ছাঁটা সম্ভব হয়।
ছবি: Keith Weller, USDA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Agriland





মন্তব্য
(০)