সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮০%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

শেষদিনে ক্রেতা-দর্শনার্থীতে মুখর ফল মেলা

রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার পর্দা নামছে আজ। মেলার শেষ দিনে শনিবার (২১ জুন) শতশত ফলের সমাহার ও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার পর্দা নামছে আজ। মেলার শেষ দিনে শনিবার (২১ জুন) শতশত ফলের সমাহার ও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

কয়েক বছরের মতো এ বছর ফল মেলায় প্রায় ৮০টি স্টল রয়েছে। এসব স্টলে আম, জাম, লিচু, কাঁঠালসহ শত রকমের ফল পাওয়া যাচ্ছে। যদিও এবার মেলায় আমের 'একচ্ছত্র আধিপত্য' ছিল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মেলায় ল্যাংড়া, আম্রপালি, নাগ ফজলি, বারি-৪, হাঁড়িভাঙা, সূর্যপুরি— এসব দেশি জাতের আম তো আছেই। সঙ্গে আছে থাই কাটিমন, পোকড়ি, হানিভিউ, ব্যানানা, মিয়াজাকি, আপেল ম্যাঙ্গো, কিং অব চাকাপাতসহ আরও বহু জাতের আম রয়েছে।

এবার মেলায় বিক্রি অন্যান্য বছরের চেয়েও ভালো ছিল বলে জানিয়েছেন আয়োজক ও বিক্রেতারা। মেলায় সোলেমানপুর কৃষিপণ্য সংগ্রহ বিপণন কেন্দ্রের আহসান হাবিব রাব্বি বলেন, প্রচুর ক্রেতা ছিল এবার মেলায়। গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দর্শনার্থী এবার মনে হয়েছে। ক্রেতাও ছিল ভালো। বেচাবিক্রি ভালো হয়েছে।

মেলায় আম রপ্তানিকারক ও গ্লোবাল ট্রেড লিংকের স্বত্বাধিকারী রাজিয়া সুলতানা বলেন, আমাদের স্টলে রপ্তানিযোগ্য সবধরনের আম প্রদর্শন করা হচ্ছে। ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

মেলায় প্রায় কয়েকটন আমের পসরা নিয়ে বসেছেন কৃষি কেন্দ্রের মুজিবর রহমান নান্নু। তিনি বলেন, প্রতিদিন এক থেকে দেড় লাখ টাকার আম বিক্রি হচ্ছে। আগে এত বিক্রি হতো না।

বেশ কয়েক বছর টানা এ মেলা হওয়ার কারণে অনেক ক্রেতা মেলায় ফল কেনার জন্য অপেক্ষায় থাকেন। সুমু জামান নামের একজন ক্রেতা বলেন, ধানমন্ডি থেকে প্রতি বছর আমরা ফল কিনতে এ মেলায় আসি। এখানে কম দামে কেমিক্যালমুক্ত ও ভালোমানের ফল পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকে।

এ মেলায় বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ফল প্রদর্শনী কেন্দ্র রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্টলে ১০০ প্রজাতির ফল প্রদর্শন হচ্ছে। এরমধ্যে ২৫ জাতের আম, ৭টি জাতের কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফল রয়েছে। মেলায় আগত দর্শনার্থীরা ফল চাষের বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারছেন।

সেখানে মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মশিউর রহমান, এবার খুব ভালো সাড়া মেলায়। মানুষের ফল নিয়ে এখন আগ্রহ বাড়ছে। প্রচুর মানুষ ফলের জাত, সেগুলো কীভাবে চাষ করবেন-এমন নানা তথ্য চাচ্ছেন। জানছেন।

১৯ জুন তিন দিনব্যাপী এ জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন করেছিলেন কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ ২১ জুন শনিবার বিকেলে মেলার সমাপনী হচ্ছে।

প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকছে। সরকারি পর্যায়ে ২৬টি ও বেসরকারি পর্যায়ে ৪৯টি প্রতিষ্ঠান এ মেলায় অংশ নিয়েছে। রাজধানীসহ সারাদেশের ৬৪টি জেলার ৪৩১টি উপজেলায় মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এনএইচ/এমএএইচ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

জলে ডোবা ধানখেতে পানিফল চাষে লাভ দেখছেন তমলুকের চাষিরা

নিম্নচাপ আর অতিবৃষ্টিতে জমিতে জল জমে ধান পচে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের তমলুক ব্লকের চাষিরা পানিফল চাষে ঝুঁকেছেন; প্রতি কাঠায় এক থেকে দেড় কুইন্টাল ফলন, কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

এই সময়৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফুল

শীতের বাগানের জন্য নার্সারিতে সুস্থ চারা চেনার পাঁচ উপায়

নার্সারি থেকে আনা চারা কয়েক দিনেই নেতিয়ে পড়ার বড় কারণ দুর্বল চারা বাছাই; কেনার আগে পাতা, গোড়া, শিকড়, বয়স ও উচ্চতা দেখে নিতে হবে এবং শুধু ফুল দেখে চারা কেনা ঠিক নয়।

জাগো নিউজ ২৪৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

এগোয়া হারালে মার্কিন বাজার বন্ধ নয়, তবে বাড়বে দক্ষিণ আফ্রিকার ফলের শুল্ক

যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ আফ্রিকাকে এগোয়া থেকে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার পর অর্থনীতিবিদ ওয়ান্ডিলে সিহলোবো হিসাব দিয়েছেন, ২০২৫ সালে ৫০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মার্কিন শুল্ক গড়ে প্রায় ৩.৪ শতাংশীয় পয়েন্ট বাড়বে।

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)