২০২৭ মৌসুমের আগে যুক্তরাষ্ট্রের বীজ বাজারে কয়েকটি পরিচিত ব্র্যান্ডের মালিকানা বদলাচ্ছে, কয়েকটি হারিয়েও যাচ্ছে। আগামী বছরের ভুট্টা ও সয়াবিন বীজ কেনার আগে কৃষকের জানা দরকার কোন কোম্পানি কোন ব্র্যান্ডের পেছনে, জানিয়েছে ফার্ম প্রগ্রেস।
পেনসিলভানিয়ার জার্সি শোরের পাইন ক্রিক সিড ফার্ম ডোবলার ফ্যামিলি জেনেটিকস নামে ১০টি ভুট্টা ও ছয়টি সয়াবিন লাইন বাজারে আনছে। ডোবলার বীজ প্রথম বিক্রি হয় ১৯৩৫ সালে; ২০১১ সালে ডুপন্টের তৎকালীন প্রতিষ্ঠান পায়োনিয়ার হাই-ব্রেড ডোবলারের পিএ হাইব্রিডস কিনে নেয়, আর ২০১৯ সালে কর্টেভা গঠনের পর আঞ্চলিক নামটির জায়গা নেয় সিড কনসালট্যান্টস।
বীজ ব্যবসা আলাদা করে ভাইলর নামে নতুন কোম্পানি গড়ছে কর্টেভা। কোম্পানিটি এ বছরের শুরুতে জানিয়েছে, ২০২৭ সালের জন্য সিড কনসালট্যান্টসসহ সব আঞ্চলিক ব্র্যান্ড হোগমেয়ার নামে একীভূত হবে; পায়োনিয়ার ও ব্রেভান্ট থাকছে প্রধান ব্র্যান্ড হিসেবে।
বিদায় নিচ্ছে এলজি সিডসও। গত গ্রীষ্মে আর্জেন্টিনার কোম্পানি জিডিএম অ্যাগ্রিগোল্ড ও এলজি সিডসের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যাগ্রিলায়েন্ট জেনেটিকস কিনে নেয়; তাদের হাতে আগে থেকেই মাস্ট্যাং, রেভেরে ও ডনমারিও সিডস রয়েছে। আগামী মৌসুমে মধ্য কর্ন বেল্টে অ্যাগ্রিগোল্ড ও উত্তর কর্ন বেল্টে মাস্ট্যাং সিডসকে কেন্দ্র করে ব্র্যান্ড সাজানো হচ্ছে, এলজি সিডস মিশে যাচ্ছে নতুন কাঠামোয়।
কোন ব্র্যান্ডের মালিক কে, তা জানলে বোঝা যায় বীজের জিনগত উৎস কোথা থেকে এবং কী প্রযুক্তি পাওয়া যাবে। বীজ কেনার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরপেক্ষ জাত পরীক্ষার ফল দেখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে: ২০২৫ সালে ওহাইও স্টেট ২১টি ভুট্টা বীজ ব্র্যান্ডের হাইব্রিড পরীক্ষা করেছে, মিশিগান স্টেট ১৯টি কোম্পানির ১৫১টি সয়াবিন জাত যাচাই করেছে, আর মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় পাঁচ জায়গায় ৪৩টি ভুট্টা হাইব্রিড পরীক্ষা করেছে। ২০২৬ সালের ফল আসবে এই শরতের শেষে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন ক্রিস টরেস।
ছবি: Rasbak / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farm Progress





মন্তব্য
(০)