২২ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে মাটি রক্ষার 'খেত বাঁচাও অভিযান' চালাবে ভারত। রবি অভিযান ২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় কৃষি সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, জানিয়েছে Rural Voice (রুরাল ভয়েস)। অভিযানে সয়েল হেলথ কার্ড দেখে সুষম সার ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হবে এবং মাটির উর্বরতা ও উপকারী পোকামাকড় রক্ষার চেষ্টা হবে।
প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনার আওতায় ১০টি রাজ্যকে ১ হাজার ২০০ কোটি রুপির বেশি বরাদ্দপত্র তুলে দেন মন্ত্রী; সবচেয়ে বেশি পশ্চিমবঙ্গ ২৯০ কোটি, হরিয়ানা ১৯৮ কোটি ও ছত্তিশগড় ১৮১ কোটি রুপি। তিনি জানান, কৃষি প্রবৃদ্ধির হার ২০১৫ সালের ৩ শতাংশ থেকে বেড়ে সাড়ে ৪ শতাংশ হয়েছে, আর ২০২৩-২৪ থেকে ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে রবি মৌসুমে খাদ্যশস্য উৎপাদন বেড়েছে ২০৫ লাখ টন।
কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে 'টিম অ্যাগ্রিকালচার' মনোভাবের আহ্বান জানিয়ে তিনি মাসিক ভার্চুয়াল পর্যালোচনা, রাজ্য পর্যায়ে মন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র ও কৃষক উৎপাদক সংগঠন নিয়ে দল এবং জেলা পর্যায়ে কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী, ব্যাংকার ও কৃষকদের মাসিক বৈঠকের কথা বলেন। নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার অনুযায়ী খরিফের জন্য ১০ ও ১৭ মে এবং রবির জন্য ১০ ও ১৭ সেপ্টেম্বর জেলা ও রাজ্য পর্যায়ের মৌসুমপূর্ব বৈঠক হবে।
চলতি রবি মৌসুমে মাটির আর্দ্রতা ও পানির প্রাপ্যতা দেখে ফসল ও বীজের সুপারিশ, পোকা ও রোগ দমনে প্রস্তুতি জোরদার, সব যোগ্য কৃষককে কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের আওতায় আনা এবং শস্যবিমার জন্য স্বচ্ছভাবে ফসল কর্তন পরীক্ষা চালাতে রাজ্যগুলোকে নির্দেশ দেন তিনি। পূর্ব ভারতের ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে ধান কাটার পর পতিত জমিতে ডাল চাষ বাড়ানোর আহ্বানও জানান।
মন্ত্রী জানান, বীজ ও সারের সরবরাহ পর্যাপ্ত; ভেজাল সার, নিম্নমানের বীজ ও কীটনাশকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে এবং কৃষি উপকরণের সঙ্গে জোর করে অন্য পণ্য গছিয়ে দেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে রাজ্যগুলোকে বলেন। প্রাকৃতিক চাষ, সমন্বিত খামার ব্যবস্থা ও ফসল বহুমুখীকরণেও জোর দেন তিনি।
ছবি: Yann / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Rural Voice





মন্তব্য
(০)