ব্রয়লার মুরগির অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের জিনগুলো বদলায় মূলত মুরগির বয়স বাড়ার সঙ্গে, খাদ্যে কী মেশানো হলো তার কারণে নয়। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির (পেন স্টেট) এ গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে পোলট্রি সায়েন্স সাময়িকীতে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পোলট্রি গবেষণা কেন্দ্রে ৩২০টি ব্রয়লারকে চার ধরনের খাবার দেওয়া হয়: কোনো সংযোজন ছাড়া, অ্যান্টিবায়োটিকসহ, এসেনশিয়াল অয়েলসহ ও প্রোবায়োটিকসহ। ১, ১০ ও ২১ দিন বয়সে মলের নমুনা সিকোয়েন্স করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জিনের সামগ্রিক ভান্ডারে (রেজিস্টোম) অ্যান্টিবায়োটিক স্থায়ী পরিবর্তন আনেনি, যা গবেষকদের কিছুটা অবাক করে। প্রধান লেখক আনা ফনসেকা (Ana Fonseca) বলেন, এক দিনের ছানা, ১০ দিনের ছানা আর ২১ দিনের মুরগির রেজিস্টোম আলাদা; বয়স বাড়ার সঙ্গে অন্ত্রে নতুন ব্যাকটেরিয়া আসে, কিছু চলে যায়, কিছু বাড়ে।
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ নিয়ে উদ্বেগের কারণে খামারিরা খাদ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের বদলে প্রোবায়োটিক ও এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার বাড়াচ্ছেন। জ্যেষ্ঠ লেখক এরিকা গান্ডা বলেন, এসব পণ্য মুরগির প্রতিরোধী জিনে প্রভাব ফেলে কি না, তা এখনো পুরোপুরি জানা নেই।
ফনসেকা সতর্ক করেন, এর মানে এই নয় যে খাদ্য সংযোজন কখনো প্রতিরোধে প্রভাব ফেলে না; এই পরীক্ষার শর্তে মুরগির স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার প্রভাবই বেশি ছিল। প্রতিরোধী জিন কোথা থেকে আসে বোঝা গেলে নিরাপদ উপায়ে মুরগি পালনের পথ তৈরি হবে বলে তাঁর মত। গবেষণায় আংশিক অর্থ দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার।
ছবি: USDAgov / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Morning Ag Clips





মন্তব্য
(০)