শরতে সঠিক সময়ে আচ্ছাদন ফসল (কভার ক্রপ) বুনলে পরের মৌসুমে শুধু আগাছা দমনই নয়, আগাছানাশক ও নাইট্রোজেনের খরচ কমে, মাটির ক্ষয় রোধ হয় এবং পামার অ্যামারান্থ, ওয়াটারহেম্প ও হর্সউইডের মতো একাধিক আগাছানাশক-সহনশীল আগাছা সামলানো সহজ হয় — বলছে উইড সায়েন্স সোসাইটি অব আমেরিকা (ডব্লিউএসএসএ)।
ভার্জিনিয়া টেকের আগাছা বিজ্ঞানী ও সংস্থাটির উইড লস কমিটির সভাপতি মাইকেল ফ্লেসনার (Michael Flessner) বলেন, আগাছা দমনের লক্ষ্য পূরণ হলে মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতির মতো অন্য সুফলও প্রায় নিশ্চিতভাবে আসে; ডালজাতীয় আচ্ছাদন ফসল নাইট্রোজেন সারের প্রয়োজনও কমাতে পারে।
তবে সময়টাই আসল। দেরিতে বুনলে বিশেষ করে শীত-সহিষ্ণুতা কম এমন প্রজাতি জমিতে দাঁড়াতে পারে না। আগাছা দমন বা সার কমানোর জন্য বসন্তে প্রচুর জৈববস্তু দরকার, আর ফ্লেসনারের ভাষায়, সেই জৈববস্তুর শুরু শরতেই। তিনি মনে করিয়ে দেন, শীতে জমি পতিত রাখার চেয়ে আচ্ছাদন ফসলে ব্যবস্থাপনা বেশি লাগে।
উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের আগাছা বিজ্ঞানী রদ্রিগো ভেরলে (Rodrigo Werle) বলেন, সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে বুনলে কিংবা বসন্তে দেরিতে ফসল গুটালে উত্তরাঞ্চলও দক্ষিণের মতোই উপকার পায়। মধ্য-পশ্চিমের ভুট্টা-সয়াবিন আবর্তনে ফসল তোলার ঠিক পরের সময়টাই মূল সুযোগ; শীতে টিকে থেকে বসন্তে আবার বাড়ে বলে সিরিয়াল রাই বিশেষ কার্যকর। তাঁর কথায়, শুধু আচ্ছাদন ফসল থাকলেই হবে না, আগাছা দমনে জৈববস্তুর পরিমাণই আসল।
প্রায় ৮০০ কৃষকের এক জাতীয় জরিপে আচ্ছাদন ফসল ব্যবহারকারীদের ৭০.৩ শতাংশ বলেছেন, চাষবিহীন পদ্ধতিতে যেতে এটি সহায়ক হয়েছে।
ছবি: USDA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: AGDAILY





মন্তব্য
(০)