বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের দারুগ্রামের খামারি ফজলুর রহমান এখন প্রায় ৩ হাজার হাঁস পালন করছেন। প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার ডিম পান, যা বিক্রি করে মাসে আয় করছেন প্রায় ৩ লাখ টাকা, কৃষি সময়ের বগুড়া প্রতিনিধি জানিয়েছেন।
প্রায় এক যুগ আগে প্রতিবেশীর কাছে হাঁস কিনতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছিলেন ফজলুর; সেই ক্ষোভ থেকেই নিজে হাঁস পালনের সিদ্ধান্ত নেন। এখন গ্রামের ২৪ শতকের একটি পুকুরের এক পাশে হাঁস আর অন্য পাশে মাছ চাষ করছেন।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি নিজেই হাঁসকে ধান, শামুক ও ফিড খাওয়ান। ধান কাটা-মাড়াই শেষে জমি ফাঁকা থাকলে সেখানে হাঁস ছেড়ে দেন, এতে খাবারের বাড়তি খরচ লাগে না; দেখভালের জন্য একজন সহকারী রাখতে হয়। প্রতি ছয় মাসে একেকটি পর্ব শেষে খরচ বাদে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা আয় হয় বলে জানান তিনি।
১২ বছরের অভিজ্ঞতায় হাঁসের চিকিৎসাও শিখেছেন ফজলু; আশপাশের এলাকা থেকে মানুষ তাঁর কাছে হাঁসের চিকিৎসা নিতে আসেন। একসময় সংসারে অভাব থাকলেও হাঁস পালন শুরুর পর তিনি স্বাবলম্বী।
শেরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নিয়ায কাযমীর রহমান বলেন, উপজেলায় প্রায় ৫০ জন হাঁসের খামারি আছেন। রোগবালাইয়ে যেন কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য খামারিদের নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ছবি: Belayet2014 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)