সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৬%বাতাস কিমি/ঘ

বড় ড্রাগন অনিরাপদ নয়, স্বাস্থ্যহানির শঙ্কা নেই: ড. মাসুদ

দেশের সর্বত্র পাওয়া যাচ্ছে ড্রাগন ফল। তবে সম্প্রতি অলোচনায় এসেছে বড় ড্রাগনে হরমোন বা টনিক ব্যবহারের প্রসঙ্গ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা নিয়ে চলছে নেতিবাচক প্রচারণা।

ফল

দেশের সর্বত্র পাওয়া যাচ্ছে ড্রাগন ফল। তবে সম্প্রতি অলোচনায় এসেছে বড় ড্রাগনে হরমোন বা টনিক ব্যবহারের প্রসঙ্গ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা নিয়ে চলছে নেতিবাচক প্রচারণা।

এমন পরিস্থিতিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বড় আকারের ড্রাগন অনিরাপদ নয়। প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেটরস হিসাবে যে জিবরেলিক এসিড বা টনিক ব্যবহার করা হচ্ছে, তা বিজ্ঞানসম্মত। ফলে স্বাস্থ্যহানির কোনো শঙ্কা নেই।

যদিও পাশাপাশি দেশে উৎপাদিত ড্রাগন নিয়ে কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও গবেষণা করা উচিৎ বলেও মনে করেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

দেশে ২০১০ সালের পর থেকে ব্যক্তি উদ্যোগে ড্রাগন চাষ শুরু হয়। পরে ২০১৪ সালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের 'বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প'-এর অধীনে শুরু হয় বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষ।

ওই প্রকল্পের পরিচালক ড. মেহেদি মাসুদ জাগো নিউজকে বলেন, ইদানিং দেখা যাচ্ছে, ড্রাগন ফল বড় করার জন্য কৃষক ভাইয়েরা হরমোন বা প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেটরস ব্যবহার করছেন। প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেটরস হিসাবে যেগুলো ব্যবহার করা হয় তারমধ্যে বহুল প্রচলিত হচ্ছে জিবরেলিক এসিড, অক্সিজ, ইনডোল এসিডিক। এগুলো বিজ্ঞান কর্তৃক স্বীকৃত। এসব প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেটরসগুলোর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব থাকে না। এটি ন্যাচারাল ফাইটো হরমোন। বরং এসব উপাদানে কোনো কোনো ক্ষেত্রে উপকার হতে পারে।

আরও পড়ুন>> খাদ্যে ভেজাল ও নকল ওষুধ প্রস্তুতকারীদের মৃত্যুদণ্ড দাবি https://www.jagonews24.com/national/news/511579

ড. মেহেদি মাসুদ আরও বলেন, ড্রাগন ফলের চারটি গ্রেড রয়েছে। সর্বনিম্ন গ্রেডে হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম, মিডিয়াম গ্রেড ২৫১ থেকে ৩৫০ গ্রাম, লার্জ গ্রেড ৩৫১ থেকে ৪৫০ গ্রাম এবং এক্সএল গ্রেড হচ্ছে ৪৫১ গ্রাম থেকে বেশি ওজনের। এক্সএল সাইজের ড্রাগন যদি কেউ উৎপাদন করতে চায়, অবশ্যই তাকে হরমোন ব্যবহার করতে হবে, যা ফাইটো হরমোনস, ন্যাচারাল হরমোনস এবং প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেটরস। এতে স্বাস্থ্যহানির কোনো শঙ্কা নেই।

এদিকে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ফল বিভাগ) ড. মো. উবায়দুল্লাহ কায়ছার বলেন, ড্রাগন নিয়ে সমস্যা আগে ছিল না। ড্রাগনে এখন কেমিক্যাল (হরমোন ও টনিক) দেওয়া হচ্ছে। আমরা সেই কেমিক্যাল অ্যানালাইসিস (বিশ্লেষণ) করার উদ্যোগ নিচ্ছি। তবে অননুমোদিত কেমিক্যাল বা টনিক এখন দেশের বাইরে থেকে আসছে। নজরে আসার পর আমরা কাজ শুরু করেছি। ফলের সাইজ যেভাবে চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে গবেষণা হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মাত্র ৯ বছরের ব্যবধানে দেশে ড্রাগনের আবাদ বেড়েছে ১১৬ গুণ। উৎপাদন বেড়েছে ৩৯০ গুণ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে ১৮ হেক্টর জমিতে ড্রাগন আবাদ হয়। সে বছর উৎপাদন হয় ৬৬ টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এসে ২ হাজার ৯৫ হেক্টর জমিতে ২৫ হাজার ৭৬০ টনে দাঁড়ায়।

এনএইচ/এমএইচআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

আমের প্রধান ক্ষতিকারক পোকা ও দমন ব্যবস্থাপনা: ফলন বাড়িয়ে লাভবান হওয়ার সেরা কৌশল

ফল ছিদ্রকারী পোকা, লাল মাকড়, হপার, কাণ্ড ছিদ্রকারী, পাতা মোড়ানো পোকা, ছাতা পোকা — আমের ছয়টি প্রধান শত্রু চেনার উপায়, ক্ষতি ও দমন: পরিচ্ছন্নতা, ফেরোমন ফাঁদ, জৈব ও রাসায়নিক বালাইনাশক।

তানিয়া চৌধুরী২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
অন্যান্য

মার্চ মাসে কৃষিতে করণীয় কাজসমূহ

বোরোতে পানি ও ব্রাউন প্ল্যান্ট হপার, গ্রীষ্মের ধানের বীজতলা, গম কাটা, মুগ-মাসকলাই বপন, সূর্যমুখী-সয়াবিন, গ্রীষ্মের সবজি, আম-লিচুর মুকুল, পুকুর ও গবাদি পশু — মার্চে কৃষিতে করণীয়।

তানিয়া চৌধুরী২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

বাড়িতে সহজেই আমের পরিচর্যা: সুস্বাদু ফল পেতে সহজ ও কার্যকর উপায়

টবের মাটি, হাফ ড্রাম, আম্রপালি-বোম্বাই-দশেরি জাত, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ়ে রোপণ, সোজা করে লাগানো ও সেচ, বছরে সার, মুকুল-গুটি ঝরা ও পোকা দমন, প্রথম বছরের মুকুল ভেঙে দেওয়া — বাড়িতে আম চাষের পুরো নিয়ম।

তানিয়া চৌধুরী২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()