বিটরুটে রয়েছে প্রাকৃতিক নাইট্রেট, ফোলেট, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি ও নানা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্তসঞ্চালন ও শরীরচর্চার সক্ষমতার সঙ্গে বিটরুট খাওয়ার সম্ভাব্য উপকারের সম্পর্ক পাওয়া গেছে, আর পুষ্টিবিদ নামি আগরওয়ালও নিয়মিত খাদ্যতালিকায় বিটরুট রাখার কয়েকটি উপকার তুলে ধরেছেন।
বিটরুটের নাইট্রেট শরীরে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরিতে ভূমিকা রাখে, যাতে রক্তনালি কিছুটা শিথিল হয়ে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকতে পারে। নিয়মিত হাঁটা, দৌড় বা ব্যায়াম করেন যাঁরা, তাঁদের পেশিতে অক্সিজেন সরবরাহ ও সহনশক্তি বাড়াতে এটি সহায়ক হতে পারে।
এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও উদ্ভিজ্জ যৌগ অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়তে এবং লিভারের স্বাভাবিক কাজে সহায়তা করতে পারে, তবে লিভারের রোগের চিকিৎসা হিসেবে শুধু বিটরুটের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। ফোলেট কোষের বৃদ্ধিতে, ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
সালাদ, সেদ্ধ, রান্না বা জুসে বিটরুট খাওয়া যায়; তবে শুধু জুসের বদলে পুরো সবজি খাওয়াই ভালো, এতে আঁশও মেলে। বিশেষ স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকলে বা নিয়মিত ওষুধ খেলে প্রতিদিন বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
ছবি: BriannaWalther / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: সমকাল




মন্তব্য
(০)