Angus Genetics Inc. (এজিআই) ১৮-১৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে Imagine: Beef Genetics Forum আয়োজন করে, যেখানে প্রায় ১০০ জন গরু প্রজননকারী, মাংসশিল্পের পেশাজীবী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অংশ নেন। অ্যাঙ্গাস কমিউনিকেশনসের সারা ময়ারের বিবরণ দিয়ে দ্য ফেন্স পোস্ট এ খবর প্রকাশ করেছে।
২০২৪ সালের প্রথম আয়োজনের পর এবারের দ্বিতীয় ফোরামের প্রতিপাদ্য ছিল জিন থেকে লাভ: পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলে মুনাফার জন্য জিনতত্ত্ব ও ব্যবস্থাপনার সর্বোত্তম ব্যবহার। মূল বক্তৃতা ও কারিগরি উপস্থাপনার পাশাপাশি ছোট দলে আলোচনা হয়, বাজার গরুর জিনের কাছে কী চায় এবং জিনগত বৈশিষ্ট্যের ভালো প্রকাশে কীভাবে লাভ বাড়ে তা নিয়ে।
"এই ঘরের দিকে তাকালে পুরো শিল্পের একটি সত্যিকারের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়," উদ্বোধনী পর্বে বলেন এজিআইয়ের সভাপতি কেলি রেটালিক-রাইলি। কেন্টাকির বোলিং গ্রিনের শিল্প পরামর্শক নেভিল স্পিয়ার মূল বক্তৃতায় খামারি ও অংশীদারদের মুখোমুখি বসে কঠিন বিষয়ে আলোচনার আহ্বান জানান।
ফোরামে তাৎক্ষণিকভাবে যে সিদ্ধান্তগুলো উঠে আসে: শিল্পজুড়ে দীর্ঘমেয়াদি জিনগত উন্নতিতে অর্থনীতি আর জীববিজ্ঞান দুটোই লাগবে; লাল মাংসের ফলন নিয়ে গবেষণা এবং প্রজনন ক্ষমতা ও স্বাস্থ্য বৈশিষ্ট্য তার উদাহরণ; আর পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলে আরও শক্তিশালী তথ্য ব্যবস্থা দরকার। জিন, ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি ও পরিবেশ কীভাবে একসঙ্গে কাজ করে, তা নিয়েও আলোচনা হয়।
"বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে সবার অগ্রাধিকারই সম্ভবত আলাদা," বলেন আইডাহোর কল্ডওয়েলের জন ডিকিনসন, যিনি এজিআইয়ের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। "গরুর মাংস শিল্প নানা ভাগে বিভক্ত, কিন্তু এই আলাপের মধ্য দিয়ে আমরা একসঙ্গে আরও লাভবান হতে পারি।"
ফোরামের পূর্ণ সারসংক্ষেপ ২০২৭ সালের শুরুতে শ্বেতপত্র আকারে প্রকাশ করবে এজিআই।
ছবি: Anne Worner / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: দ্য ফেন্স পোস্ট





মন্তব্য
(০)