কৃষিতে আসার পরিকল্পনা ছিল না জেরেমিয়া জোথাম (Jeremiah Jotham)-এর। ২০১২ সালে সমাজকর্ম পড়ার সময় তিনি একটি কসাইখানায় সাধারণ কর্মী হিসেবে তাপমাত্রা ও মান যাচাইয়ের কাজ নেন। পরে বড়-ছোট নানা কসাইখানায় উৎপাদন, সরবরাহ ও মান ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা নিয়ে কৃষ্ণাঙ্গ মালিকানার একটি কসাইখানার স্বপ্ন দেখেন।
এখন তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার গাউটেং প্রদেশের কার্লটনভিলে বাসাদি এগ্রিবিজনেসের পরিচালক। ২০১৯ সালে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানটি গতি পায় ২০২৩ সালের দিকে একটি কসাইখানা ভাড়া নেওয়ার পর। পশু প্রক্রিয়াজাতকরণ, খরগোশ পালন, উদ্যান ফসল, কসাইখানার সেবা আর পরামর্শ, সব মিলিয়ে চলে ব্যবসা, ফুড ফর মজানসির ‘ফার্মার মেন্টর’ পর্বে জানান তিনি।
খরগোশ মূল ব্যবসা হলেও কসাইখানায় হাঁস, কোয়েল, টার্কি ও মুরগিও প্রক্রিয়াজাত হয়; সাধারণ মানুষের জন্যও খোলা থাকায় বাড়তি আয় আসে। প্রায় নয় হেক্টরের জমিতে পালংশাক ও কেল চাষ হয়, আর কসাইখানার পানি ও উপজাত খামারের অন্য কাজে লাগানো হয়, যাকে জোথাম চক্রাকার পদ্ধতি বলেন। খরগোশের মাংস পোষা প্রাণীর খাবারের বাজারেও বিক্রির সুযোগ খুঁজে পেয়েছেন তিনি।
উদ্যোক্তাদের প্রতি তাঁর পরামর্শ, আগে হিসাব করুন একটি উদ্যোগ লাভজনক হতে কত পরিমাণ উৎপাদন লাগবে। বড় হতে দুই-তিন বছর লাগলে হাতে থাকা সম্পদ দিয়ে আর কী করা যায়, তা ভাবুন। তাঁর মতে, সম্পর্কিত কাজ যোগ করলে লাভের অপেক্ষা কমে, পুরো খামারের ভার একটি উদ্যোগের ওপর পড়ে না। প্রতিবেদনটি করেছেন প্যাট্রিসিয়া টেম্বো।
ছবি: Zhayon / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: ফুড ফর মজানসি




মন্তব্য
(০)