রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে আগাম জাতের শীতকালীন ফুলকপিতে পচন রোগ দেখা দিয়েছে। আক্রান্ত গাছ আর কপি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, বাজার থেকে কেনা নানা ওষুধ দিয়েও অনেক কৃষক পচন থামাতে পারছেন না।
উপজেলা কৃষি অফিসের হিসাবে এবার প্রায় ৩০০ হেক্টরে আগাম শীতের সবজি হয়েছে, তার প্রায় ২০০ হেক্টরেই আগাম ফুলকপি। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জামালপুর ও বহরপুর ইউনিয়নের মাঠে দেখা গেছে, অনেক খেতে কপির ফুলে প্রথমে বাদামি গোল দাগ পড়ছে, পরে তা পুরো ফুলে ছড়িয়ে যাচ্ছে, পাতাও নষ্ট হচ্ছে। অনেকে আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলছেন।
গুপ্তলক্ষ্মণদিয়া গ্রামের মো. রেজোয়ান মোল্লা ২০ শতাংশ জমিতে আগাম ফুলকপি করেছিলেন; বিক্রির উপযোগী হওয়ার মুখে পচন দেখা দেয়, এর মধ্যেই প্রায় ৭০ শতাংশ গাছ নষ্ট। কৃষক ব্রজেন বিশ্বাস জানান, সার ও কীটনাশক বাড়তি দামে কিনে চাষ করেছেন; রোপণের ২০-৩০ দিনের মধ্যে পাতায় পচন শুরু হয়ে কপিতে ছড়ায়, আর দুই-তিন দিনেই কপি নষ্ট হয়ে যায়।
নদিয়ার চাঁদ বিশ্বাস বলেন, প্রায় ১৫ দিন ধরে উপজেলার নানা এলাকায় এই পচন দেখা যাচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শের ঘাটতি আর ভেজাল বা নিম্নমানের কীটনাশকের কারণেও তাঁরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
বালিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ বলেন, আগাম ফুলকপিতে পচনের বিষয়টি কৃষি বিভাগ জেনেছে এবং নিয়ন্ত্রণে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্ত খেতের কৃষকেরা এখন উৎপাদন খরচ উঠবে কি না, তা নিয়েই শঙ্কায়। প্রতিবেদনটি এগ্রিকেয়ার২৪ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সূত্রে।
ছবি: NahidSultan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪




মন্তব্য
(০)