আর্জেন্টিনার সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের পদক্ষেপ বহাল রেখে বিদেশিদের জমি কেনার ওপর থাকা বিধিনিষেধ তুলে দিয়েছেন। বিনিয়োগ টানার লক্ষ্যে নেওয়া এ সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশটিতে বিতর্ক তৈরি হয়েছে; শ্রমিক সংগঠন ও পরিবেশবাদীরা এর বিরোধিতা করছেন।
২০২৩ সালে ক্ষমতায় আসার পরপরই মিলেই বিদেশিদের জমির মালিকানার বিধিনিষেধ তুলে দেন। এর আগে দেশের মোট জমির সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বিদেশিদের মালিকানায় থাকার অনুমতি ছিল।
সাংবিধানিক আইনজীবী আন্দ্রেস গিল দোমিঙ্গেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আদালতের এ সিদ্ধান্তের অর্থ হলো, যেকোনো বিদেশি ব্যক্তি, বিদেশি কোম্পানি বা বিদেশি রাষ্ট্র পছন্দমতো যেকোনো গ্রামীণ জমি কিনতে পারবে; সীমান্তবর্তী এলাকাতেও কোনো সীমা থাকবে না।
বুয়েনস আইরেস বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্য গবেষকদের ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৫ শতাংশ এখন বিদেশিদের মালিকানায়, যা আয়তনে প্রায় ইংল্যান্ডের সমান।
তবে গবেষকেরা বলছেন, দেশের কিছু অঞ্চলে বিদেশি মালিকানার জমি এরই মধ্যে ১৫ শতাংশের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় পানি ও খনিজ সম্পদ বেশি, কিংবা বন্দরের মতো কৌশলগত পরিবহন সুবিধা আছে, সেখানে বিদেশি মালিকানার হার বেশি।
বিরোধী দল ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো শুরু থেকেই পদক্ষেপটির বিরোধিতা করে আসছে। বিক্ষোভে তাঁরা ‘দেশ বিক্রির জন্য নয়’ লেখা ব্যানার বহন করেছেন।
সূত্র: নয়া দিগন্ত




মন্তব্য
(০)