যুক্তরাজ্যে খামারের উপকরণের দাম ভোক্তা মূল্যস্ফীতির দ্বিগুণের বেশি হারে বাড়ছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডারসনসের হিসাবে সেপ্টেম্বরে কৃষি উপকরণের মূল্যস্ফীতি ছিল ৭.৮ শতাংশ, ২০২৩ সালের শুরুর পর সর্বোচ্চ, জানিয়েছে ফার্মার্স উইকলি।
খরচের সবচেয়ে অস্থির উপাদানগুলোই এই বৃদ্ধির চালিকা। সারের দাম এক বছর আগের চেয়ে ৩৫ শতাংশ বেশি, জ্বালানি ও লুব্রিক্যান্ট এক-চতুর্থাংশের বেশি। উল্টো দিকে সেপ্টেম্বরে কৃষিপণ্যের দাম আনুমানিক ১.৩ শতাংশ কমেছে, ফলে চাষি যা খরচ করেন আর যা পান, তার ব্যবধান ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে।
খরচ পাঁচ বছর আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং কমার লক্ষণ নেই; অ্যান্ডারসনস বলছে, ব্রিটিশ কৃষি এক প্রজন্মের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছে, কারণ একই সময়ে সরাসরি ভর্তুকি তুলে নেওয়া হচ্ছে, পরিবেশ কর্মসূচি বদলাচ্ছে, সঙ্গে আছে জলবায়ু পরিবর্তন ও রোগের চাপ।
অ্যান্ডারসনসের জ্যেষ্ঠ গবেষণা পরামর্শক মাইকেল হ্যাভার্টি বলেন, মূল্যস্ফীতি অনেক খামারের খরচের ভিত্তি স্থায়ীভাবে বদলে দিয়েছে, আর পণ্যের দাম তার সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। তাঁর মতে, লাভ যখন এত কম, তখন সেরা ও গড় খামারের পার্থক্য যতটা চাষের মানে, ততটাই সিদ্ধান্তের মানে।
চাপটা সরবরাহ শৃঙ্খলের নিচেও দেখা যাচ্ছে। স্বাধীন মাংস সরবরাহকারী সমিতির (এইমস) হিসাবে সেপ্টেম্বরে খুচরা মাংসের দাম আগস্টের চেয়ে ০.৭৪ শতাংশ কম; মুরগির বুকের মাংস ৫.৫ শতাংশ আর রানের ফিলে ১১.৪ শতাংশ সস্তা হয়েছে, শুধু ভেড়ার মাংস কেজিতে ৭১ পেন্স (৪.২৫ শতাংশ) বেড়েছে। সংগঠনটির টনি গুডগার বলেন, খামারি ও প্রক্রিয়াজাতকারীদের উৎপাদন খরচ সুপারমার্কেটের দামে উঠে আসছে না।
ছবি: Andy Beecroft / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly



মন্তব্য
(০)