টমেটোকে একটি বড় রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে এমন জিন খুঁজে বের করে বাণিজ্যিক জাতে আনতে যৌথ গবেষণা শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেবল এগ্রিকালচার (Heritable Agriculture) ও জাপানের খাদ্য প্রতিষ্ঠান কাগোমে (Kagome)। কাজটি আপাতত শুধু টমেটোতে। এতে কাগোমের জার্মপ্লাজম, প্রজনন দক্ষতা ও গবেষণা তথ্যের সঙ্গে যুক্ত হবে হেরিটেবলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জিনোম বিশ্লেষণ।
কীভাবে কাজ করবে: হেরিটেবলের প্ল্যাটফর্ম ডিএনএ, আরএনএ ও গাছের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যের তথ্য একসঙ্গে নিয়ে এআই দিয়ে বিশাল তথ্যভান্ডারে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের সম্ভাব্য জিন খোঁজে। ২০২৬ সাল থেকে এটি কাগোমের জিনসম্পদে প্রয়োগ করা হবে। লক্ষ্য রোগ প্রতিরোধ ও রোগপ্রবণতার সঙ্গে যুক্ত জিন চিহ্নিত করা, তারপর প্রতিরোধী জিনগুলো কাগোমের কয়েকটি জাতে প্রবেশ করানো। হেরিটেবলের এক মুখপাত্র অ্যাগনেভিগেটরকে বলেন, উদ্দেশ্য নতুন সহনশীল জাত তৈরি।
প্রথম কোন রোগজীবাণু নিয়ে কাজ হবে, তা প্রতিষ্ঠান দুটি জানায়নি; শুধু বলেছে, এটি টমেটো শিল্পের জন্য বড় হুমকি এবং এতে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বড় হতে পারে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ: প্রচলিত প্রজননে কাজের জিন খুঁজে পেতে অনেক সময় ও অর্থ লাগে, অথচ জলবায়ু ও চাষের পরিবেশ বদলে ফসলে রোগের চাপ বাড়ছে, আর প্রজননবিদদের ফলন ও মান ধরে রেখেই প্রতিরোধ ক্ষমতা যোগ করতে হয়। হেরিটেবলের প্রধান নির্বাহী ব্র্যাড জ্যামফট (Brad Zamft) বলেন, রোগ ও পোকায় ফসলের ক্ষতি আজও কৃষির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি।
কাগোমের গ্লোবাল এগ্রি রিসার্চ অ্যান্ড বিজনেস সেন্টারের প্রধান হিরোইউকি উয়েদা (Hiroyuki Ueda) বলেন, ফসলের রোগ সামলাতে নতুন প্রযুক্তি দরকার। ২০২৫ সালে কাগোমের করপোরেট ভেঞ্চার তহবিল সানরাইজ ফান্ড হেরিটেবলে বিনিয়োগ করে; গত এক বছরে দুই প্রতিষ্ঠানের গবেষকেরা একে অন্যের কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন। টমেটো প্রকল্পকে তারা বড় অংশীদারত্বের প্রথম ধাপ বলছে, পরে অন্য ফসলেও এটি বাড়তে পারে।
প্রতিবেদনটি অ্যাগনেভিগেটরের জন্য লিখেছেন অলিভার মরিসন।
ছবি: Dwight Sipler / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: AgNavigator





মন্তব্য
(০)