আলু তোলার যন্ত্রের একটি হুবহু ডিজিটাল প্রতিরূপ বা ডিজিটাল টুইন তৈরি করেছে পেপসিকো (PepsiCo) ও কৃষিযন্ত্র নির্মাতা গ্রিমে (Grimme)। এতে কৃষক ও যন্ত্রচালকেরা ভার্চুয়াল পরিবেশে যন্ত্রটি খুঁটিয়ে দেখতে, প্যানেল খুলতে এবং এর কাজ শিখতে পারেন। আলু সহজেই থেঁতলে যায়, তোলা ও পরিবহনে এতে চাষিদের বড় ক্ষতি হয়; প্রতিষ্ঠান দুটি সমস্যাটি সামলাতে চাইছে প্রশিক্ষণ দিয়ে।
প্রশিক্ষণটি চলে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) হেডসেটে, আবার ট্যাবলেট, স্মার্টফোন বা কম্পিউটারেও। একবার নামিয়ে নিলে ওয়াই-ফাই বা মোবাইল নেটওয়ার্ক লাগে না। পেপসিকো জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে থেঁতলানোমুক্ত আলু ৮৭ শতাংশ বেড়েছে, আর গুরুতর থেঁতলানো কমেছে ১.৭ গুণ।
গত বছর ব্রাজিল ও মেক্সিকোতে পরীক্ষা দিয়ে শুরু, পরে পোল্যান্ড ও রোমানিয়ায় নেওয়া হয় এবং জার্মানিতে পেপসিকোর গ্লোবাল অ্যাগ্রো ইউনিভার্সিটিতে দেখানো হয়। পেপসিকোর বৈশ্বিক কৃষি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট রব মেয়ার্স (Rob Meyers) অ্যাগনেভিগেটরকে বলেন, প্রতিটি অঞ্চলের ভাষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়বস্তু মিলিয়ে এটি ছড়ানো হচ্ছে; উদ্দেশ্য জটিলতা বাড়ানো নয়, মাঠে নামার আগেই আরও বেশি চালকের কাছে অভিজ্ঞদের জ্ঞান পৌঁছে দেওয়া।
ধারণাটি এসেছে পেপসিকোর কারখানায় চালক প্রশিক্ষণে ডিজিটাল টুইন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থেকে। মেয়ার্সের মতে, মৌসুমি, দূরদূরান্তে ছড়িয়ে থাকা ও ভিন্ন ভাষার চালকদের একই মানের প্রশিক্ষণ দেওয়া কৃষির বড় চ্যালেঞ্জ; আর আলু থেঁতলে কৃষকের যে ক্ষতি হয়, তার তুলনায় ভিআরের খরচ সামান্য।
প্রতিবেদনটি অ্যাগনেভিগেটরের জন্য লিখেছেন রায়ান ডেইলি।
ছবি: Grimme Group / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: AgNavigator





মন্তব্য
(০)