ভারতে সেপ্টেম্বরেও বাড়িতে রান্না করা খাবারের খরচ বেড়েছে, ক্রিসিল ইন্টেলিজেন্সের হিসাব উদ্ধৃত করে জানিয়েছে অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম। নিরামিষ থালির খরচ আগের বছরের চেয়ে ১০ শতাংশ এবং আমিষ থালির ৬ শতাংশ বেড়েছে; পেঁয়াজ, চাল, ভোজ্যতেল ও রান্নার গ্যাসের দাম বাড়া এর কারণ। দেশের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমের উপকরণের দাম ধরে ক্রিসিল এই হিসাব করে।
সবচেয়ে বেশি বেড়েছে পেঁয়াজ, এক বছরে ৮৯ শতাংশ, কেজিপ্রতি ২৮ থেকে ৫৩ রুপি; রবি মৌসুমের মজুত কমে যাওয়া আর উৎপাদন আনুমানিক ৫-৬ শতাংশ কমা এর কারণ। জুনে বৃষ্টি স্বাভাবিকের ৪০ শতাংশ কম হওয়ায় খরিফের রোপণ ও নতুন ফসল আসতে দেরি হয়েছে। পাম তেলের শুল্ক কমানো সত্ত্বেও ভোজ্যতেলের দাম ১২ শতাংশ বেড়েছে, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও এল নিনোর প্রভাবে পাম তেল উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগে; রান্নার গ্যাস ১০ শতাংশ আর ধানের উৎপাদন ৫-৬ শতাংশ কমার আশঙ্কায় চাল ৮ শতাংশ বেশি দামি।
আমিষ থালির খরচ কম বেড়েছে, কারণ এর প্রায় অর্ধেক খরচ ব্রয়লার মুরগির, যার দাম বছরে মাত্র ২ শতাংশ বেড়েছে। মাসের হিসাবে নিরামিষ থালি ৪ শতাংশ আর আমিষ থালি ৩ শতাংশ বেড়েছে; এক মাসে পেঁয়াজ বেড়েছে ৩৪ শতাংশ।
ক্রিসিল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক পুশন শর্মা বলেন, খরিফের পেঁয়াজ দেরিতে আসায় অক্টোবরের প্রথমার্ধে দাম চড়া থাকতে পারে, মাসের শেষে নতুন ফসল এলে ধীরে কমবে। টমেটো ও আলুর দামও বাড়তে পারে, আর জানুয়ারি থেকে ফসল ওঠার আগে আবহাওয়ার ঝুঁকিতে আছে ডাল, বিশেষ করে অড়হর। তাঁর মতে, নতুন ফসলে কিছুটা স্বস্তি এলেও নিকট ভবিষ্যতে থালির খরচ চড়াই থাকবে।
ছবি: PrashuKalyan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: AgroSpectrum



মন্তব্য
(০)