ক্যামেরা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে মা শূকর ও ছানাদের আচরণ বুঝে নিজে থেকেই ব্যবস্থা নেয়, এমন একটি প্রসব-খোঁয়াড় জার্মানির কৃষি প্রদর্শনী ইউরোটিয়ার ২০২৬-এ ডিএলজি উদ্ভাবন স্বর্ণপদক ও প্রাণিকল্যাণ পুরস্কার জিতেছে। প্রযুক্তিটি তৈরি করেছে ভেডা ডামান অ্যান্ড ভেস্টারকাম্প (WEDA), ভেটভাইসের (VetVise) সঙ্গে মিলে।
পুরোনো খোঁয়াড়েও বসানো যায় এমন ব্যবস্থাটি ক্যামেরায় সারাক্ষণ মা ও ছানাদের আচরণ বিশ্লেষণ করে, বিশেষ করে খোলা প্রসব-খোঁয়াড়ে, এবং সেই অনুযায়ী ঘরের পরিবেশ ও খাবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলায়। প্রচলিত ব্যবস্থা চলে নির্দিষ্ট সময়সূচি বা তাপমাত্রার সংকেতে, আর নিয়মিত হাতে-কলমে দেখতে হয়।
ছানারা বাড়তি খাবারের পাত্রে ঘন ঘন গেলে এআই ধরে নেয় মায়ের দুধ কম, তখন পাত্রের ওপর হলুদ বাতি জ্বলে কর্মীকে সতর্ক করে। ছানারা বাসার বাইরে গাদাগাদি করে থাকলে, যা ঠান্ডার লক্ষণ, ব্যবস্থাটি নিজেই বাসার তাপ বাড়িয়ে দেয়। নির্মাতার দাবি, এতে মায়ের চাপে ছানা মারা যাওয়া কমে, দুধের ঘাটতি আগে ধরা পড়ে, জন্মের নথি ও খাবার সমন্বয় স্বয়ংক্রিয় হয়, প্রয়োজনমতো তাপে বিদ্যুৎ কম লাগে, আর দূর থেকে নজরদারিতে রাতে খামারে যেতে হয় না।
ছবি: Dingar / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: The Scottish Farmer





মন্তব্য
(০)