সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯০%বাতাস কিমি/ঘ

বদলগাছীতে সমন্বিত চাষে লাভবান আব্দুর রউফ

প্রতি বছর একটি ফসলের দিকে না ঝুঁকে চাষিদের মাঝে সমন্বিত চাষাবাদের আগ্রহ বাড়ছে। সমন্বিত চাষাবাদের ফলে চাষিরা সারাবছরই আয় করতে পারছেন। বিভিন্ন ফল ও ফসলের আলাদা দাম পেয়ে লাভবান হচ্ছেন। নওগাঁয় এখন সারাবছরই বিভিন্ন ফল-ফসলের দেখা মিলছে।

শাকসবজি

প্রতি বছর একটি ফসলের দিকে না ঝুঁকে চাষিদের মাঝে সমন্বিত চাষাবাদের আগ্রহ বাড়ছে। সমন্বিত চাষাবাদের ফলে চাষিরা সারাবছরই আয় করতে পারছেন। বিভিন্ন ফল ও ফসলের আলাদা দাম পেয়ে লাভবান হচ্ছেন। নওগাঁয় এখন সারাবছরই বিভিন্ন ফল-ফসলের দেখা মিলছে।

জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের খোজাগাড়ী গ্রামের কৃষক আব্দুর রউফ। মাধ্যমিক পাসের পর পড়াশোনার গণ্ডি পেরিয়ে কৃষিতে মনোনিবেশ করেন। বাবার সামান্য জমিতে শুরু করেন চাষাবাদ। যেখানে ধান, পাট ও শাক-সবজির আবাদ করতেন।

গত ৩ বছর ধরে কৃষি অফিসের পরামর্শে ৪ বিঘা জমিতে সমন্বিত চাষাবাদ শুরু করেন। তার বাগানে তাইওয়ানসহ বিভিন্ন জাতের আম, পেয়ারা, বরই, কমলা ও মাল্টাসহ প্রায় ৮-১০ ধরনের ফলের গাছ আছে। এরই মধ্যে বরই থেকে হারভেস্ট করে লাভবান হয়েছেন।

আরও পড়ুন: বাঙ্গির বাম্পার ফলন, বাজারমূল্য ৩ কোটি

এ বছর তিনি নতুন ফসল চিয়া সিড আবাদ করেছেন। উপজেলা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ উচ্চ ফলনশীল জাতের চিয়া সিড চাষে তাকে উদ্বুদ্ধ করে। তারা নিজ থেকেই যোগাযোগ করে সার্বিক সহযোগিতা করেছে।

চাষি আব্দুর রউফ বলেন, '৩ বছর আগে ৪ বিঘা জমিতে সমন্বিত প্রজেক্ট করেছি। আগে ধান, পাট ও শাক-সবজির আবাদ করতাম। উপজেলা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। চাষাবাদের জন্য ৫০০ গ্রাম বীজ দিয়েছিল। তা দিয়ে ১ বিঘায় আবাদ করা হয়। যা সরিষার মতোই একই সময়ে চাষাবাদ করা যায়। বিঘায় খরচ প্রায় ১৫-২০ হাজার টাকা। ফলন প্রায় ১০০ কেজির কথা বলা হয়েছিল। তবে ৮০ কেজি ফলন হলেও লাভ।'

তিনি বলেন, 'মাড়াই করার ধরনটা একটু ঝামেলা। রোদে শুকিয়ে হাত দিয়ে মাড়াই করতে হয়। মেশিনের সাহায্যে মাড়াই করা হলে বাতাসের সঙ্গে উড়ে যাবে। বাজারে ১ হাজার টাকা কেজি। সে হিসেবে ৮০ কেজির দাম ৮০ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে ৬০ হাজার টাকা থাকবে। এটি শরীরের জন্য উপকারী। যদি কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, বিশেষ করে বাজারজাত করতে। তাহলে আগামী বছরে আরও বেশি জমিতে চাষাবাদ করবো।'

আরও পড়ুন: থাই পেয়ারা চাষে সফল নাটোরের দুই ভাই

তিনি আরও বলেন, 'সমন্বিত বাগান করার উদ্দেশ্য হলো, যেখানে সব ধরনের ফল ও ফসল থাকবে। পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে বাজারজাত করা হবে। ভালো দাম পাওয়াসহ লাভবান হওয়া যাবে। আমাকে দেখে অনেকেই উদ্বুদ্ধ হবে।'

খোজাগাড়ী গ্রামের কৃষক নিজামুল বলেন, 'আমাদের এলাকায় বা উপজেলায় এটি একটি নতুন জাত। বাজারজাত না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না, এটি কেমন লাভজনক। যদি বাজারজাত ভালো হয়, আমরা চাষাবাদে আগ্রহী হবো। কারণ চাষ করলাম, বাজারজাত করা যাচ্ছে না। তাহলে তো আমাদের লোকসান হবে। বিষয়টি নিয়ে কৃষি অফিস কাজ করলে কৃষকদের জন্যও সুবিধা হবে।'

কৃষক শাহজাহান আলী বলেন, 'আব্দুর রউফ প্রতিবেশী। তিনি সমন্বিত বাগান করেছেন। সেখানে চিয়া সিড আবাদ করেছে। আগে কখনো এর নাম শুনিনি। খরচ বেশি হলেও সমস্যা নেই। যদি অন্য ফসল থেকে দাম ভালো হয় এবং লাভবান হওয়া যায়। তাহলে আগামীতে এ ফসল চাষাবাদে আগ্রহী হবো। এরপরই আবার বোরো ধানের আবাদ হবে।'

আরও পড়ুন: ভুট্টার মোচা আছে শস্যদানা নেই

বদলগাছী উপজেলা কৃষি অফিসার সাবাব ফারহান বলেন, 'রউফ নিজ উদ্যোগে সমন্বিত বাগান গড়ে তুলেছেন। যেখানে অন্য ফল ও ফসলের পাশাপাশি 'চিয়া সিড' আবাদ করেছেন। চিয়া সিড একটি লাভজনক ফসল। একটি ফসল থেকে বিঘায় ৫০ হাজার টাকার বেশি লাভ হয়। তার এ কাজ অব্যাহত থাকলে একজন আদর্শ কৃষক হিসেবে পরিচিতি পাবেন। যারা আবাদ করতে চাচ্ছেন, তাদের কৃষি অফিস থেকে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হবে।'

আব্বাস আলী/এসইউ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

পদ্মার পানিতে রাজশাহীর তিন উপজেলায় ৩০৯ হেক্টরের ফসল প্লাবিত, চরের সবজি পচে গেছে

উজানের পানিতে পবা, বাঘা ও গোদাগাড়ীর চরে ৩০৯ দশমিক ৫৯ হেক্টর ফসলি জমি ডুবেছে—সবজি ৪৫, মাষকলাই ৮৫, হলুদ ১০২ হেক্টরসহ; কসবা ও আলিমগঞ্জের কৃষকদের পটোল, শসা, করলা ও আগাম কপি পচে গেছে, কৃষি বিভাগ বলছে আল উঁচু করে প্রায় ৬০ শতাংশ ফসল রক্ষা করা গেছে।

প্রথম আলো২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

তিন মাসে ভারতে পেঁয়াজের খুচরা দাম ৮২ শতাংশ বেড়ে কেজি ৫৩.৭৮ রুপি, জোগানে ঘাটতি

সরকারি তথ্যে ১ জুনের ২৯.৫০ রুপি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরে গড় খুচরা দাম ৫৩.৭৮ রুপি, পাইকারি ২২.৬০ থেকে ৪৫.৬৮ রুপি; মহারাষ্ট্রের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজে ঘাটতি ও নতুন খরিফ ফসলে দেরি কারণ, বাফার স্টক থেকে ৩৫ রুপিতে বিক্রি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবছে সরকার।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
অন্যান্য

মার্চ মাসে কৃষিতে করণীয় কাজসমূহ

বোরোতে পানি ও ব্রাউন প্ল্যান্ট হপার, গ্রীষ্মের ধানের বীজতলা, গম কাটা, মুগ-মাসকলাই বপন, সূর্যমুখী-সয়াবিন, গ্রীষ্মের সবজি, আম-লিচুর মুকুল, পুকুর ও গবাদি পশু — মার্চে কৃষিতে করণীয়।

তানিয়া চৌধুরী২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()